পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/১১০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পবে অপার সাকুলার রোডের একটি গহে ব্যক্তিগত ব্যবসায়রপে ইহা আরম্ভ করেন এবং দেশীয় উপাদান হইতে ঔষধাদি প্রস্তুত করিতে থাকেন। ছয় বৎসর পাবে দই লক্ষ টাকা মলধনসহ লিমিটেড কোম্পানিতে ইহা পরিণত হয়। কলিকাতার বহ বড় বড় রাসায়নিক ইহার অংশীদার। বতমানে ৯০, মাণিকতলা মেন রোডে এই কোম্পানির সপরিচালিত বহং কারখানা আছে। সেখানে প্রায় ৭০ জন শ্রমিক কার্য করে। ম্যানেজার শ্রীযন্ত রাজশেখর বসন, রসায়নশাসে এম, এ, । লেবরেটরীর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি যাহার জন্য ধাতু ও কাঠের শিল্পকাযে অভিজ্ঞ লোকের দরকার তাহাও এখানে নিমিত হইতেছে। অধনা গন্ধদ্রব্যও প্রস্তুত করা হইতেছে। এই প্রতিষ্ঠান যে কাৰ্যশক্তি ও ব্যবসাবন্ধির পরিচয় দিতেছে, তাহা এই প্রদেশের ধনী ব্যবসায়ীদের পক্ষে অনুকরণযোগ্য।” (Review of the Industrial Position and prospects in Bengal in 1908, pp. 30-31) । এস্থলে উল্লেখযোগ্য যে ডাঃ কাতিকচন্দ্র বসু ও পরলোকগত চন্দ্রভূষণ ভাদুড়ী এই সময়ে যথেষ্ট সাহায্য করেন। কলিকাতা হইতে ১২ মাইল দক্ষিণে পাণিহাটিতে যে নতন আর একটি শাখা কারখানা হইয়াছে, তাহা ৬০ একর জমি লইয়া। এখানে যে সালফিউরিক অ্যাসিড প্রস্তুতের যন্ত্র এবং “শ্লোভাস ও গে-লুসাকাস টাওয়ার" নিমিত হইয়াছে, তাহা ভারতে একটি বহৎ অ্যাসিড কারখানা বলিয়া গণ্য। এই কোম্পানিতে বতমানে দই হাজার শ্রমিক কাষ করে এবং ইহার মোট সম্পত্তির মল্য প্রায় অন্ধ কোটী টাকা। .*