পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/১১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অষ্টম পরিচ্ছেদ নতন কেমিক্যাল লেবরেটরি-মাকিউরাস নাইট্ৰাইটহিন্দ রসায়ন শাস্ত্রের ইতিহাস পরাতন একতলা গহে প্রেসিডেন্সি কলেজের রসায়ন বিভাগ অবস্থিত ছিল। কিন্তু এখন কাজ এত বাড়িয়া গিয়াছিল যে, ঐ গহে আর থান সংকুলান হইতেছিল না। এফ, এ, পরীক্ষায় রসায়ন বিদ্যায় ব্যবহারিক পরীক্ষা বাধ্যতামলক ছিল না বটে; কিন্তু বি, এ, ও এম, এ, পরীক্ষায় রসায়ন শাসে ছাত্রের সংখ্যা প্রতি বৎসর বন্ধি পাইতেছিল। লেবরেটরিতে অনিষ্টকর গ্যাস নিকাষণের কোন ব্যবস্থা ছিল না—বায় চলাচলেরও ভাল ব্যবস্থা ছিল না। বস্তুতঃ যদিও ব্যবহারিক ক্লাস পণোদ্যমে চলিতেছিল, তথাপি গহের বায়, སྒྱུ་མ་ པ་ཝ་ཐ༦༥ རྋ ༦ ཨ་ཤ ཨ་ལག ༢ཐོག ཤ་ཨ༣ ལྟར་ལྟ། ཨ༢ ཨ་ངོ་༣༣ “ཅེས་ | একদিন, আমি প্রিন্সিপ্যাল টনীকে লেবরেটরিতে ডাকিয়া আনিলাম এবং চারিদিকে ঘরিয়া গহের বায়তে কয়েক মিনিট নিঃশ্বাস লইতে অনুরোধ করিলাম। টনীর ফসফসে স্বভাবতই একটা দবল ছিল। তিনি দই মিনিট লেবরেটরিতে থাকিয়া উত্তেজিতভাবে বাহির হইয়া গেলেন এবং শিক্ষাবিভাগের ডিরেক্টরকে সমস্ত অবস্থা বর্ণনা করিয়া একখানি কড়া চিঠি লিখিলেন। তিনি ইহাও লিখিলেন যে, সহরের হেলথ অফিসার যদি একথা জানিতে পারেন, তবে কলেজের কর্তৃপক্ষকে ছাত্রদের বাস্থ্য বিপন্ন করিবার অপরাধে অভিযন্ত করিলেও অন্যায় কিছ করিবেন না। পেড়লার সাহেবও বঝিতে পারিলেন যে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামসহ একটি নতন লেবরেটুর নির্মাণ করা একান্ত প্রয়োজন। তিনি ক্রফটকে সব কথা বঝাইয়া বমতে আনয়ন করিলেন এবং বাংলা গবৰ্ণমেণ্টের নিকটও নতন লেবরেটরির জন্য লিখিলেন। ১৮৯২ সালের জানুয়ারী মাসে একদিন ক্লফট ও স্যার চালর্স ইলিয়ট রসায়ন বিভাগ “দেখিতে আসিলেন এবং নতন লেবরেটরি সবন্ধে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করিলেন। আমরা শীঘ্রই জানিতে পারিলাম যে গবৰ্ণমেণ্ট নতন লেবরেটরির পল্যান মঞ্জর করিয়াছেন। এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতন গবেষণাগারের একখানি বর্ণনাপত্র আমার নিকট ছিল, তাহাতে ঐ সম্পকে বহন নকসা ও চিত্রাদি ছিল। আমাদের নতন গবেষণাগারের ল্যানে উহা হইতে কোন কোন জিনিস গ্রহণ করা হইয়াছিল। পেড়লার জামানির কয়েকটি লেবরেটরির ল্যানও সংগ্ৰহ করিয়াছিলেন। চন্দ্রভূষণ ভাদড়ী বর্তমান গবেষণাগারের ল্যান তৈয়ারীর কাজে পেড়লারকে প্রভূত সাহায্য করিয়াছিলেন। ১৮৯৪ সালে আমরা নতন বিজ্ঞানাগারে প্রবেশ করিলাম। শীঘ্রই ভারতের বিভিন্ন স্থান হইতে এই নতন বিজ্ঞানাগার দেখিবার জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ আসিতে লাগিলেন এবং এই ১৮৯৪ সাল হইতেই আমার রাসায়নিক গবেষণাকাযে নতন শক্তি ও উৎসাহ সপ্তরিত হইল। আমি কতকগলি দলভ ভারতীয় ধাতু বিশ্লেষণ করিতেছিলাম, আশা ছিল যে যদি দই একটি নতন পদার্থ আবিকার করিতে পারি। মিঃ (এখন স্যার) টমাস হল্যান্ড “জিওলজিক্যাল সাভে অব ইণ্ডিয়া" বিভাগের একজন সহকারী এবং