পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/১১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


EfzT Geschichte der pharmazie (1904) Ivo fort. FIRST REITs হইতে ত্যিকপাতন, উদ্ধাপাতন প্রভৃতির বিবরণ উদ্ধত করিয়াছেন এবং ১২শ ও ১৩শ শতাব্দীতেও যে ঐ সমস্ত বৈজ্ঞানিক প্রণালী ভারতবাসীরা জানিত, এজন্য বিসময় প্রকাশ করিয়াছেন। অধ্যাপক আলেকজেণ্ডার বাটেক (বোহিমিয়া) ১৯০৪ সালে লিখিয়াছেন—“আমি আমার মাতৃভাষাতে আধুনিক প্রাকৃত বিজ্ঞান সমহের ইতিহাস, ছোট ছোট বস্তৃতার আকারে সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ করিতেছি। এই সম্পকে আপনার গ্রন্থ হিন্দ রসায়ন শাসের ইতিহাস হইতেও একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ উদ্ধত করিবার জন্য অনুমতি প্রাথনা করিতেছি।” *Tò NICHTIGH GİER Chemistry in Modern Life (frestīgo F5 ইংরাজী অনুবাদ) গ্রন্থে হিন্দ রসায়নশাস্ত্রের ইতিহাস’ হইতে বিস্তৃত ভাবে উদ্ধত করিয়াছেন এবং ধাতব, বিশেষ করিয়া পারদ সংক্রান্ত ঔষধ ব্যবহারে হিন্দরাই পথ প্রদশক একথা বলিয়াছেন। এই গ্রন্থের অধনাতন সমালোচনা ইটালীয় ভাষায় লিখিত Archives for the History of Science-এ দেখিতে পাওয়া যায়। নিম্নে তাহার কিয়দংশের ইংরাজী অনুবাদ প্রদত্ত হইল ঃ– “সমস্ত সভ্যদেশেই আজকাল বিজ্ঞানের ইতিহাসের প্রতি মনোযোগ আকৃষ্ট হইতেছে। যদিও ইহার ফলে অনেক সময় অকিঞ্চিৎকর গ্রন্থাদি প্রণীত ও প্রকাশিত হয়, তাহা হইলেও তথ্যপণ মল্যেবান গ্রন্থেরও সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। সকল দেশেই এমন কতকগুলি লোক দেখা যায়, যাহারা কেবল নকলনবাঁশ, অথবা অত্যন্ত সঙ্কীণ সবাদেশিকতা হইতে যাহারা মনে করে যে বিজ্ঞান কেবলমাত্র একটি দেশে অথাৎ তাহাদের নিজের দেশেই উন্নতি লাভ করিয়াছে। আবার এমন লোকও আছেন যাঁহাদের পাণ্ডিত্য এবং তথ্যানসন্ধানে যোগ্যতা আছে, যাঁহারা বিচার বিশেলষণ করিতে পারেন এবং যদিও তাঁহারা নিজের দেশের কথা গব* ও আনন্দের সঙ্গে বলেন, তাঁহাদের মন সংস্কারের বশবতী নহে, তাঁহারা উদার দরদটির অধিকারী। এই শ্রেণীর লোকের লিখিত গ্রন্থ পড়িবার ও আলোচনা করিবার যোগ্য । ভারতে রসায়নবিজ্ঞানের ইতিহাস সম্পকে স্যর পি, সি, রায় এই সম্মানের আসনের যোগ্য। তিনি বহু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ রচনা করিয়াছেন। কিন্তু রায়ের যে গ্রন্থ বারা তাঁহার নাম চিরস্মরণীয় হইবে, উহা হইতেছে হিন্দ রসায়ন শাস্ত্রের ইতিহাস’ নামক বিরাট গ্রন্থ: ইহাতে প্রাচীনকাল হইতে ষোড়শ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত হিন্দ রসায়ন শাসের ইতিহাস’ লিপিবদ্ধ হইয়াছে।” EF fot»TF SfsT Entstehung und Ausbreitung der Alchemie (বালিন, ১৯১৯) গ্রন্থে হিন্দ রসায়ন শাস্ত্রের ইতিহাস দুই খণ্ডের সারাংশ বিস্তৃতভাবে উদ্ধত করিয়াছেন। * হিন্দ রসায়ন শাস্ত্রের ইতিহাসের প্রথম ভাগ প্রণয়ন করিতে আমাকে এত কঠোর ও দীর্ঘকালব্যাপী পরিশ্রম করিতে হইয়াছিল যে, আধুনিক রসায়ন শাস্ত্র সম্বন্ধে অধ্যয়ন ও গবেষণা করিতে আমি সময় পাই নাই। অথচ আধুনিক রসায়ন শাম্ম ইতিমধ্যে দ্রুতবেগে উন্নতির পথে অগ্রসর হইতেছিল। এই সময়ে রেলে ও র্যামজে Argon আবিস্কার করেন এবং তাহার পরই Neon, Xenon ও Krypton আবিস্কৃত হয়। বেকেরেল, রাদারফোর্ড ও সডী কতকগুলি কম্পাউণ্ড ও খনিজ পদার্থের আলোক বিকীরণের ক্ষমতা সম্বন্ধে পরীক্ষা ও আলোচনা করেন এবং কুরী-দম্পতী রেডিয়ম আবিকর করিয়া এই বিষয়ে গবেষণার পণতা সাধন করেন। রামজে দেখাইলেন যে, রেডিয়ম হইতে বিকীরণই গ্যাস