পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/১৯১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বন্ধবেগের অনুরোধে দগতদের সেবাকায্যের ব্যবস্থা এবং দেশবাসীর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিবার দায়িত্ব আমি গ্রহণ করিলাম। দেশবাসী সবান্তঃকরণে সাড়া দিল— যদিও গবৰ্ণমেণ্ট সরকারীভাবে খলনার এই দভিক্ষকে স্বীকার করেন নাই। শ্ৰীযন্ত নগেন্দ্রনাথ সেন, জ্যোতিষচন্দ্র ঘোষ, কুঞ্জলাল ঘোষ, প্রভৃতি খলনার জননায়কগণ আমাকে এই কাযে বিশেষভাবে সহায়তা করেন, বরিশাল ও ফরিদপুর জেলা হইতে বহন স্বেচ্ছাসেবক আসিয়াও আমার কাজে বিশেষভাবে সাহায্য করেন। ১৯২২ সালের উত্তরবঙ্গ বন্যা সম্পবন্ধে বলা যাইতে পারে যে, যদি গ্রামবাসীর প্রাথনা গ্রাহ্য করা হইত, তাহা হইলে এই বন্যা নিবারিত হইতে পারিত, অন্ততঃপক্ষে ইহার প্রকোপ খবই হ্রাস পাইত। কিন্তু দভাগ্যক্রমে ভারতে এই সমস্ত আবেদন নিবেদন সরকারী কমচারীরা গ্রাহ্যও করেন না। যে কোন নিরপেক্ষ পাঠকই বুঝিতে পরিবেন যে গবণমেণ্ট এই বন্যার জন্য সম্পণেরপে দায়ী। বন্যা হইবার এক বৎসর প্বে গ্রামবাসীরা রেলওয়ে বাঁধ সম্পকে গবণমেণ্টের নিকট দরখাস্ত করিয়াছিল। দরখাস্তকারিগণ অজ্ঞ গ্রামবাসী, কিন্তু একথা তাহারা বেশ বুঝিতে পারিয়াছিল যে, যদি রেলওয়ে বাঁধের সঙ্কীর্ণ কালভাট’গলির পরিবতে চওড়া সেতু করিবার ব্যবস্থা না হয়, তবে তাহাদিগকে সর্বদাই বন্যার বিপত্তি সহ্য করিতে হইবে। কিন্তু কাৰ্যতঃ ঠিক ইহাই ঘটিয়াছিল। আসল কথা এই যে, বিদেশী অংশীদারদের সবাথের দিকে দটি রাখিয়া রেলওয়ে রাস্তা ও বাঁধগুলি তৈরী করা হয়। খরচা যত কম হইবে, অংশীদারদের লাভের অঙ্কও তত বেশী হইবে। এই কারণে রেলপথ নিৰ্মাণ করিবার সময় বহন স্বাভাবিক জলনিকাশের পথ মাটী দিয়া বন্ধ করিয়া ফেলা হয়, অথবা তাহাদের পরিসর এত কম করা হয় যাহাতে সঙ্কীণ কালভাট’ বারাই কাজ চলিতে পারে। (১) আনন্দবাজার পত্রিকা ১৯২২ সালের ২১শে নবেম্বর তারিখে রেলওয়ে বাঁধই ষে দেশের সবনাশের কারণ এই প্রসঙ্গে সম্পাদকীয় মন্তব্যে লিখিয়াছিলেন – “রেলওয়ে লাইনই যে উত্তরবঙ্গের লোকদের অশেষ দুঃখ-দদশার কারণ এ বিষয়ে আমরা কয়েকটি প্রবন্ধ ইতিপবে লিখিয়াছি। আদমদীঘি এবং নসরতপর অঞ্চলের (সাতাহারের উত্তরে দুইটি রেলওয়ে স্টেশন) গ্রামবাসীরা, বগড়ার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মারফৎ রেলওয়ে এজেণ্টের নিকট দরখাস্ত করে যে, পবোন্ত দাইটি স্টেশনের মধ্যে রেলওয়ে লাইনে সঙ্কীণ কালভার্টের পরিবতে চওড়া সেতু করা হোক, তাহা হইলে প্রবল বর্ষার পর উচ্চ ভূমি হইতে যে জলপ্রবাহ আসে, তাহা বাহির হইবার পথ পাইবে। ইহার উত্তরে রেলওয়ে এজেণ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নিম্নলিখিত পত্র লিখেন :– নং ১৩৫৬—ভি, ডবলিউ ই. বি. রেলওয়ের এজেণ্ট লেঃ কৰ্ণেল এইচ. এ. ক্যামেরন সি, আই ই বগড়ার ম্যাজিস্ট্রেটের বরাবর কলিকাতা, ২৮শে অক্টোবর, ১৯২১ মহাশয়, আপনার ১৯২১ সালের ২৫শে এপ্রিল তারিখের পর পাইলাম। উহার সঙ্গে উমরদেীন জোন্দার এবং আদমদীঘি ও তন্নিকটবতী গ্রামসমহের অধিবাসিগণের যে سسسسسصّص --سس-----------------------------------------

  • (১) বন্যার অব্যবহিত পরেই রাণীনগর স্টেশন হইতে নসরতপর স্টেশন পৰীত রেলওয়ে गाश्न आभि शषि अवर उाशन एन आभाद्र हे अच्छिठा श्छ।