পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/২০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বলা বাহুল্য, উহা গরর খাদ্য ছাড়া আর কোন প্রয়োজনে লাগিবে না। মাননীয় সদস্য মহাশয় বলেন, ঐ অঞ্চলে অনাহারের কোন দটিান্ত দেখিতে পান নাই।’ তিনি ও তাঁহার দলবল যেখানে লঞ্চে ছিলেন, সেখানে হয়ত অনাহারের দন্টাত ছিল না। যদি তিনি দুই একদিনও থাকিতেন এবং আমার মত গ্রামের ভিতরে যাইতেন, তাহা হইলে তিনি নিশ্চয়ই দেখিতে পাইতেন যে শত শত লোক অনশনে, অধ্যাশনে আছে। অনেক সস্থলে আমি দেখিয়াছি যে, তিনদিনের মধ্যে একবার আহার, সৌভাগ্য বলিয়া গণ্য। আমি যে সমস্ত গ্রামে গিয়াছি এবং যে সব লোককে সাহায্য করিয়াছি, তাহাদের নামের তালিকা দিতে পারি। ঐ সব স্থান অসীম দদশাগ্রস্ত। 總 @ 溺 龜 驗 含 "বন্যা সাহায্যের জন্য যে অর্থ সংগহীত হইয়াছে, তাহা আপাততঃ জমা করিয়া রাখার পরামর্শ দেওয়া হইয়াছে দেখিয়া আমি অত্যন্ত দঃখিত হইলাম। দদশাগ্রস্তদের মধ্যে খাদ্য-সাহায্য বিতরণ করিবার এই সময় এবং যে অর্থ সংগহীত হইয়াছে তব্যেতীত আরও অর্থ এই উদ্দেশ্যে এবং বস্ত্র ও ঔষধের জন্য প্রয়োজন; গবৰ্ণমেণ্টকে সেই কারণে আমি পরামর্শ দিই যে, তাঁহারা বীজশস্য এবং চাষের বলদ প্রভৃতির জন্য ঋণদান কাৰ্য চালাইতে থাকুন। বন্যায় অধিকাংশ গো-মহিষাদি ধবংস হইয়া গিয়াছে। সাধারণের নিকট হইতে যে অর্থ পাওয়া গিয়াছে, তাহা বতমানে দগতদের সাহায্যের জন্য বিতরণ করা হউক।” পাবনা, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৯৩১ (রেভাঃ) অ্যালান, জে, গ্রেস মিঃ এইচ, এস, সরাবদী বন্যাপীড়িত অঞ্চল পরিভ্রমণ করিয়া স্টেটসম্যানে একখানি সদীঘ পত্র লেখেন (২২শে অক্টোবর, ১৯৩১)। তাহাতে তিনি বলেন যে,—“স্মরণীয় কালের মধ্যে বাংলায় এরাপ ভীষণ বন্যা আর হয় নাই।” “জনৈক ভারতীয় পত্ৰলেখক” রেভাঃ গ্রেসের উক্ত পত্রের উপর নিম্নলিখিত মন্তব্য প্রকাশ করেন (৩০শে সেপ্টম্বর, স্টেটসম্যান) – “গত মঙ্গলবারের স্টেটসম্যানে বন্যাপীড়িত অঞ্চলের অবস্থা সম্বন্ধে পাবনার রেভাঃ অ্যালান গ্রেসের যে পত্র প্রকাশিত হইয়াছে, তাহা বাংলা গবৰ্ণমেণ্টের রাজস্ব বিভাগের : সদস্য মহাশয়কে বিরত করিয়া তুলিবে। মিশনারী মহাশয় রেভেনিউ সদস্যের উক্তির তাঁর প্রতিবাদ করিয়াছেন, এবং দেখাইয়াছেন যে, অনাহারের কোন দন্টান্ত পাওয়া যায় নাই— সরকারী ইস্তাহারের এই বর্ণনা সত্য নহে। মিঃ গ্রেসের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এই যে, কোন কোন সথানে লোকে তিন দিনে একবার আহার করাটা সৌভাগোর বিষয় বলিয়া মনে করে। সরকারী ইস্তাহারের এইরুপ প্রতিবাদ যদি কোন ভারতবাসী করিতেন তবে তাহা রাজনৈতিক আন্দোলনকারীদের মিথ্যা প্রচার কায বলিয়া অগ্রাহ্য হইত। কিন্তু গবৰ্ণমেণ্ট বা অপর কেহ মিঃ গ্রেসকে সেই দলে ফেলিতে পারবেন কি না সন্দেহ। তাঁহার সময়োচিত 년 3 উক্তি দেখাইয়া দিয়াছে যে, সরকারী ইস্তাহারে মাঝে মাঝে যে সব বিবতি করা হয়, তাহা একরপ অসার। এবং আরও দুঃখের বিষয় এই যে, এই ইস্তাহার একজন বাঙালী সদস্যের তদন্তের ফলাফলের উপর নিভীর করিয়া লিখিত। এই বাঙালী శా డా ఇ శా శా శా శాకా శా శా '...... ምዖ আমার মতে লেখক আসল প্রশনটাই এড়াইয়াছেন। রেভেনিউ সদস্যের পদে ঘটনাচকে একজন বাঙালী ছিলেন। আসলে বর্তমান শাসনপ্রণালীই যে শোচনীয় অবস্থার জন্য । দায়ী, একথা আমি পাবেই বলিয়াছি। سي