পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/২১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


în aIRI IGrit stga “Empire of Business” va frîsi sR– “প্রধান প্রধান ব্যবসায়ীদের তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজয়েটের অভাব বিশেষভাবে চিন্তা করিবার বিষয়। আমি সবার অনুসন্ধান করিয়া দেখিয়াছি, কমক্ষেত্রে যাঁহারা নেতা বা পরিচালক তাঁহাদের মধ্যে গ্রাজয়েটদের নাম পাই নাই। বহর আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাহার অবশ্য বিশ্বস্ত কর্মচারিরাপে নিযন্ত আছে। ইহা আশ্চয্যের বিষয় নহে। ব্যবসায়ে যাঁহারা সাফল্যলাভ করিয়াছেন, তাঁহারা গ্রাজয়েটদের অনেক পবেই কাষক্ষেত্রে প্রবেশ করিয়াছেন। তাহারা ১৪ বৎসর হইতে ২০ বৎসর বয়সের মধ্যে কাজে ঢাকিয়াছেন, আর এই সময়টাই শিক্ষার সময়। অপরপক্ষে কলেজের যুবকেরা এই সময়ে অতীতের তুচ্ছ কাহিনী অথবা মত অষা আয়ত্ত করিবার জন্যই ব্যস্ত ছিল। এই সব বিদ্যা ব্যবসায়ক্ষেত্রে কোন কাজে লাগে না, এ যেন অন্য কোন পথিবীর উপযোগী বিদ্যা। যিনি ভবিষ্যতে ব্যবসায়ক্ষেত্রে নেতৃত্ব করিয়াছেন, তিনি তখন হাতেকলমে কাজ শিখিয়া ভবিষ্যৎ জীবনসংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হইয়াছেন।” (১০) জনৈক আমেরিকাম লেখক বলিয়াছেন—“ব্যবসায় শিক্ষার বেলায়, একথা ক্ষুলিলে চলিবে না যে ব্যবসায়ীর ভবিষ্যৎ জীবন কাজের জীবন হইবে, অধ্যয়নের জীবন হইবে না। অকেজো উপাধিলাভের প্রচেষ্টায় তাহার স্বাস্থ্য যাহাতে নষ্ট না হয় এবং గాణా శా శా శా తాజాగా శా శా శా "ן আমি যদি পনবার যবেক হইতাম ! যবেকদের সযোগ ব্যবসায়ী, ক্লোরপতি এবং খেলোয়াড় স্যার টমাস লিপটন দারিদ্র্যের নিম্ন স্তর হইতে অভু্যত্থান করিয়াছেন। “জীবনে কে সাফল্য লাভ করে ?”—এ সবন্ধে তিনি তাঁহার নিজস্ব ভঙ্গীতে জোরাল ভাষায় নিম্নলিখিত কথাগুলি বলিয়াছেন – “ষাট বৎসরেরও অধিক হইল, আমি লাসগোর একটি গদাম ঘরে শ্রমিকের কাজ করিতাম, পারিশ্রমিক ছিল সপ্তাহে অন্ধ ক্লাউন (২ই শিলিং)। সেই সময় আমি মনে করিতাম, আমার চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য আত্মগব । তার পর বহন বৎসর অতীত হইয়াছে, আমি এখন বঝিতে পারিয়াছি মানুষের জীবনে সবাপেক্ষা বড় সম্পদ তাহার আত্মবিশ্বাস। “আমার সেই প্রথম জীবনে যখন আমার আয় দৈনিক ৬ পেক্ষের কম ছিল—আমি আমার মাতাকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছিলাম, শীঘ্রই তাঁহার জড়াগাড়ী হইবে। ইহা ফাঁকা প্রতিশ্রুতি নয়, আমার মাতার মৃত্যুর বহন বৎসর পবেই তিনি প্রায় এক ডজন জড়ীগাড়ীর অধিকারিণী হইয়াছিলেন। - ১০ পরলোকগত ভূপেন্দ্রনাথ বসু যখন বিলাতে ইণ্ডিয়া কাউন্সিলের সদস্য , তখন তাঁহার জনৈক সহকমীকে (ইনি কোন বড় ব্যাকের সঙ্গে সংসস্ট ছিলেন), বাঙালী যবেককে ব্যাকের কাজে শিক্ষানবীশ লইতে অনুরোধ করেন। সহকমী যখন জানিতে পারিলেন যে যুবকটি গ্রাজয়েট এবং তাহার বয়স ২২ বৎসর, তখন মাথা নাড়িয়া বলিলেন—“তরণ বন্ধ, তুমি তোমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অংশ অপব্যয় করিয়াছ এবং আমার আশন্কা হয়, ব্যাকের কাজ শেখা তোমার পক্ষে অসম্ভব। আমরা গ্রামার স্কুলের পাশকরা ১৪ বৎসর বয়সের ছেলেদের ব্যাকে শিক্ষানবীশ লইয়া থাকি। তাহারা ঘরে ঝাড় দেয়, টেবিল চেয়ার পরিকার করে, সংবাদৰাহকের কাজ করে, সেই সঙ্গে হিসাব রাখতে ও খাতাপ লিখিতে লিখে এবং এইরূপে জাহারা রুমে ব্যাকের কাজে অতিজ্ঞতা সঞ্চয় করিয়া দায়িত্বপণ পদ পায়।"