পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/২২১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কিছুই জানিতেন না, কিন্তু তাহাতে তিনি পশ্চাৎপদ হন নাই। এ বিষয়ে যাহা কিছ পাঠ্য পাইয়াছিলেন, সমস্তই তিনি পড়িয়াছিলেন। বহল-কোটিপতি এবং লোকহিতব্ৰতী অ্যানড্র কানেগী টেলিগ্রাফের পিওন রাপে কাজ আরম্ভ করেন। তাঁহার জীবনেও এই একই দণ্টাত দেখা যায়। এক কথায় তিনি সম্পণে স্বীয় চেষ্টায় শিক্ষালাভ করেন। কানেগী আবিস্কারক কিবা বৈজ্ঞানিক নহেন। কিন্তু একটা মহৎ বৈজ্ঞানিক আবিকারকে সময়োপযোগী করিয়া কিরাপে কাষক্ষেত্রে প্রয়োগ করিতে হয়, সে বিষয়ে তাঁহার সমকক্ষ কেহ ছিল না। অ্যানড্র কানেগী বেসেমার প্রক্রিয়াকে গ্রহণ করিয়া আমেরিকায় তথা জগতের শিল্পে যুগান্তর আনয়ন করেন। সুতরাং দেখা যাইতেছে, ব্যবসায়ক্ষেত্রে সাফল্য প্রয়োজনীয় নহে, সেজন্য চাই সঘবদ্ধভাবে কাষ" করিবার শক্তি, উৎসাহ ও প্রেরণা। ডাঃ হ্যানকিন যথার্থই বলিয়াছেন – “ব্যবসায়ীর নিকট বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি অকেজো বলিয়াই মনে হয়। ব্যবসায়ীর মতে সহজ বধি বা কাণ্ডজ্ঞানই আসল জিনিষ, ইহার বারাই অথোপাজন করা যায়। বিশেষজ্ঞের মধ্যে ইহার একান্ত অভাব। “জনৈক বিশেষজ্ঞ কোন ব্যবসায়ীর জ্ঞানের সযোগ লইয়া ব্যবসায়ক্ষেত্রে অধিকতর সাফল্য লাভ করেন। ব্যবসায়টি এজন্য দুঃখ করিয়া বলেন,—“আমি ভাবিয়াছিলাম, সে কেবলমাত্র বৈজ্ঞানিক।’ "পরলোকগত আমেরিকান ব্যাঙ্কার মরগ্যান একবার বলিয়াছিলেন, ‘আমি ২৫০ ডলার দিয়া যে কোন বিশেষজ্ঞকে ভাড়া করিতে পারি, এবং তাহার প্রদত্ত তথ্যের বারা আরও ২৫০ হাজার ডলার উপাজন করিতে পারি। কিন্তু সে আমাকে ঐভাবে কাজে খাটাইতে পারে না। একজন সাধারণ বিশেষজ্ঞের ব্যবসায়ক্ষেত্রে উপযোগিতা কতটুকু, তাহা এই কয়টি কথার দ্বারাই প্রকাশ পাইতেছে।” আর একটি উজ্জল দষ্টান্ত দিতেছি। भिः बाछैग्न कभ*छौबन “মোরেভিয়ার জিলিন সহরনিবাসী মিঃ টমাস বাটা দশ বৎসরে এক কোটী পাউণ্ড উপাজন করিয়াছেন বলিয়া শোনা যায়। ইনি জগতের মধ্যে সবাপেক্ষা বড় পাদকো ব্যবসায়ী। কিছুদিন পবে বিমানযোগে ইনি কলিকাতায় আসিয়াছেন। “ব্যবসায়ক্ষেত্রে মিঃ বাটার সাফল্যের কাহিনী উপন্যাসের মতই চিত্তাকর্ষক। তিনি একজন গ্রাম্য মচির ছেলে, বাল্যকালে লোকের বাড়ী জনতা বিক্রয় করিয়া বেড়াইতেন। বতমানে ৫৫ বৎসর বয়সে তিনি জগতের সবাপেক্ষা বহৎ জতার কারখানার অধিকারী। তাঁহার কারখানায় প্রত্যহ ১ লক্ষ ৬০ হাজার জোড়া জতা তৈরী হয় এবং ১৭ হাজার লোক কাজ করে। (দৈনিক সংবাদপত্র, ৮ই জানুয়ারী, ১৯৩২) আমি বহুবার বস্তৃতাপ্রসঙ্গে বলিয়াছি যে, স্যার রাজেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় যদি ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় সাফল্য লাভ করিতেন, তাহা হইলে বাংলাদেশের পক্ষে দভাগ্য হইত। যদি তিনি বি, ই, ডিগ্রীধারী হইতেন, তবে তাঁহার কম জীবন ব্যথা হইত। (১৩) (১৩) “সরকারী কাজ পাইবার সম্ভাবনাই ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যা শিক্ষার প্রধান আকয়ল। शैअनिग्नाद्रिर দশজন ছাত্রের মধ্যে গড়ে ৮ জন মাত্র সরকারী কাজ পায় এবং কেবলমাত্র 'uकजन एव-नग्नकाग्नौ कारण नियल झग्न। शछनिद्राग्निर कशब्दछद्र अथाक भिा श्छेिन वळणन एष,