পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জানিতেন না। সতরাং তাঁহারা তাঁহাদের অধীন অসাধ: ভারতীয় কমচারীদের হাতের পতুল হইয়া দাঁড়াইলেন। আর ঐ সমস্ত ভারতীয় কমচারীরা যদি এরপ লোভনীয় অবস্থার সযোগ না লইতেন, তাহা হইলেই বরং অস্বাভাবিক হইত। অজন্মার জন্য কোন জমিদার খাজনা দিতে পারিল না, তাহার জমিদারী “সন্যাসত আইনে” এক হাতুড়ীর স্বায়েই নীলাম হইয়া যাইবে এবং এক মহেতেই সে কপদকশন্য পথের ভিখারী হইবে। ভয়ে কপিতে কপিতে সে কালেক্টরের নিকট দরখাস্ত করিল, তিনি তাহাকে ইচ্ছা করিলে রক্ষা করিতে পারেন। কিন্তু এই কালেক্টর আবার প্রায়ই দেওয়ান বা সেরেস্তাদারের পরামশেই চালিত হইতেন। সুতরাং সেরেস্তাদার বা দেওয়ানকে যে পরিমাণ উৎকোচ স্বারা প্রসন্ন করা হইত, সেই পরিমাণেই তিনি জমিদারদের পক্ষ সমথন করিতেন। ফৌজদারী মোকদ্দমাতেও পেস্কারের পরামর্শ বা ইঙ্গিতেই জজসাহেব অল্পবিস্তর প্রভাবান্বিত হইতেন। তখন জরী প্রথা ছিল না, সতরাং এই সব অধস্তন কর্মচারীদের হাতে কতদর ক্ষমতা ছিল, তাহা সহজেই অনুমেয়। অসহায় জজেরা পেস্কারদের পর্তুল হইতেন, এরপ দষ্টান্ত বিরল নহে। gé এক শতাব্দী পাবে আমার প্রপিতামহ মাণিকলাল রায় কৃষ্ণনগরের কালেক্টরের এবং পরে যশোহরের কালেক্টরের দেওয়ান (৬) ছিলেন। এই পদে তিনি যে প্রভূত ধন সঞ্চয় করিয়াছিলেন, তাহাতে সন্দেহ নাই। আমার বাল্যকালে তাঁহার সঞ্চিত ধনের অদ্ভূত গলপ শনিতাম। তিনি মাঝে মাঝে মাটীর হাঁড়ি ভরিয়া কোম্পানীর সিক্কা টাকা বাড়ীতে পাঠাইতেন। বিশ্বসত বাহকেরা বাঁশের দইধারে ভার ঝালাইয়া অর্থাৎ বাঁকে করিয়া এই সমস্ত টাকা লইয়া যাইত। সেকালে নদীয়া-যশোর গ্রান্ডট্রাঙ্ক রোডে ডাকাতের অত্যন্ত উপদ্রব ছিল। সতরাং ডাকাতদের সন্দেহ দীর করিবার জন্য মাটীর হাঁড়ির নীচে টাকা ভতি করিয়া উপরে বাতাসা দিয়া ঢাকিয়া দেওয়া হইত। আমার পিতামহ আনন্দলাল রায় যশোরের সেরেস্তাদার ছিলেন এবং প্রচুর ধন উপাজন করিয়া পৈতৃক সম্পত্তি বন্ধি করেন। তিনি যশোরেই অকস্মাৎ সন্ন্যাসরোগে মারা যান। আমার পিতা সংবাদ পাইয়া রাড়লি গ্রাম হইতে তাড়াতাড়ি যশোরে যান, কিন্তু তিনি ్యు శా RR శా శా డా కాకి గా గా পারেন নাহ। t আমার প্রপিতামহ বিপলে ঐ িবষ সঞ্চয় করিয়াছিলেন। ১৮০০ খৃস্টাব্দে তিনি ষে ভূসম্পত্তি ক্লয় করেন, তাহা তাঁহার ঐশ্বষের কিয়দংশ মাত্র। তাঁহার অবশিষ্ট ঐশ্বয* কিরপে হস্তচু্যত হইল সে সম্বন্ধে নানা কাহিনী আছে। আমি যখন শিশু, তখন আমাদের পরিবারের বন্ধা আত্মীয়াদের নিকট গল্প শনিয়াছি যে, আমার প্রপিতামহ (৬) দেওয়ান’ শব্দ ব্যাপক অথে ব্যবহত হইত। রবীন্দ্রনাথের পিতামহ বারকানাথ ঠাকুর, নিমক চৌকীর দেওয়ান ছিলেন। মিঃ ডিগবী রাজা রামমোহন রায়ের কেন উপনিষৎ"ও বেদান্তসারের” ইংরাজী অনুবাদের ভূমিকায় লিখিয়াছেন,—“তিনি (রামমোহন) পরে যে জেলায় রাজস্ব সংগ্রহের দেওয়ান বা প্রধান দেশীয় কর্মচারী নিযন্ত হইয়াছিলেন, সেই জেলায় আমি পাঁচ বৎসর (১৮০-১৪) ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানীর সিভিল সাভিসে কালেকটর ছিলাম।”—মিস কোলেট কৃত রাজা রামমোহন রায়ের জীবনী ও পরাবলী, ১৯oo খঃ, ১০-১১ পয়ে । প্রধান এজেণ্ট নিযন্ত করিতেন এবং কালেকটরেরা এই সব সেরেস্তাদারদের পরামর্শ ও সিন্ধান্ত BB BB BBBB BBBB DBBS DBBB BBu u BBB BBBBB DBBS BB BBS মিভাগ” , ১৯৯০, মে, ৫৭২ পয়, রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ দুষ্টব্য।