পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/৬৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমি বহন ছাত্রের সংস্পশে আসিয়াছি। যাহারা বিদ্যালয়ে পরীক্ষায় খুব কৃতিত্ব দেখাইয়া বত্তি প্রভৃতি পাইয়াছিল, তাহদের অনেকের পরবতী জীবন ব্যথতার মধ্যে পর্যবসিত হইয়াছে। এমন কি সেকালের প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বত্তি প্রাপ্ত (কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবোচ্চ সম্মান) ছাত্রেরা পর্যন্ত জীবনে বিশেষ কৃতিত্ব দেখাইতে পারেন নাই, তাঁহারা অধিকাংশই বিস্মৃতির গভে বিলীন হইয়া গিয়াছেন অবশ্য প্রত্যুত্তরে আমাকে বলা হইবে অমকে অমক বিশববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় কৃতিত্বের জন্য উচ্চপদ লাভ করিয়াছেন, কিন্তু এইজন একাউণ্টাণ্ট জেনারেল বড় দরের কেরাণী ভিন্ন আর কিছুই নহেন। নিউটনকে টাকশালের কতা করিয়া দিলে হয়ত তাঁহার পদার্থবিদ্যার জ্ঞানের বলে তিনি টাকশালের বহন সংস্কার সাধন করিতে পারিতেন। রাণী অ্যান যদি ‘ক্যালকুলাসের আবিকারকতাকে রাজসবসচিব পদে নিযুক্ত করিতেন, তবে কি তিনি যোগ্য নিবাচন করিতেন? আমার আশঙ্কা হয়, কোষাধ্যক্ষের কতারাপে নিউটন ব্যথ হইতেন। যাহারা গত অন্ধশতাব্দীর মধ্যে কলিকাতা বারে আইনজীবীরপে প্রসিধি লাভ করিয়াছেন, তাঁহাদের ছাত্রজীবন খবে কৃতিত্বপণ ছিল না। ডবলিউ, সি, ব্যানাজী, মনোমোহন ঘোষ, তারকনাথ পালিত, সতীশরঞ্জন দাশ এবং আরও অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ কৃতিত্ব না দেখাইলেও, আইনজীবীরপে সাফল্যলাভ করিয়াছিলেন। প্রথম ভারতীয় র্যাংলার এবং প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বত্তিধারী আনন্দমোহন বস ব্যারিস্টাররপে বিশেষ প্রতিষ্ঠালাভ করেন নাই। কোন একটি বিষয়ে জীবনব্যাপী নিষ্ঠা ও সাধনাই গৌরবের মলে। যে ছাত্র সকল বিষয়েই ভাল সেই সাধারণতঃ পরীক্ষায় প্রথম হয়। কিন্তু কবি পোপ সত্যই বলিয়াছেন— একজন প্রতিভাশালীর পক্ষে একটি বিষয়ই যথেস্ট। যাহা হউক, এ বিষয়ে এখন আমি আর বেশী বলিতে চাই না। আমার পিতা এই সময়ে গরতের আর্থিক বিপষয়ের মধ্যে পতিত হইতেছিলেন। তাঁহার জমিদারী একটির পর একটি করিয়া বিক্রয় হইতেছিল। মহাজন হইতে দেনদারের অবস্থায় উপনীত হইতে বেশী সময় লাগে না। আমার পক্ষে গব ও আনন্দের কথা এই যে, তাঁহার ঋণ “সম্মানের ঋণ” এবং তিনি তাহা একান্ত সততার সঙ্গে পরিশোধ করিয়াছিলেন। (৬) আমার এখনও সেই শোচনীয় দশ্য মনে পড়ে–মাতা কাঁদিতে কাঁদতে তাঁহার সম্পত্তির বিক্রয় কবালার দস্তখত করিতেছেন। এই সম্পত্তি তাঁহারই অলঙ্কার বিক্রয় করিয়া কেনা হইয়াছিল এবং (৬) শ্ৰীবত অক্ষয়কুমার চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি নিম্নলিখিত বিষয়টির প্রতি আমার দষ্টি আকর্ষণ (সম্ভবতঃ ইহা অক্ষয়বাবরে নিজের লেখা)। “রমিতারণ চট্টোপাধ্যায় ইন্টাশ" ক্যানেল ডিবিসনের খলনা জেলায় ডিবিসনাল অফিসার ছিলেন। দরখালিতে তাঁহার কম স্থান ছিল। তিনি খলনার ডেপটি ম্যাজিস্ট্রেট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গীরদাস বসাক, ঈশ্বরচন্দ্র মিত্র এবং বলরাম মল্লিক, রাড়ালি-কাটিপাড়ার জমিদার হরিশচন্দ্র রার (ডাঃ পি, সি, রায়ের পিতা) সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। প্রথম বয়সে তাঁহার একমাত্র "র অক্ষয়কুমার কলিকাতায় পড়িবার সময়ে হরিশচন্দের বাসায় থাকিতেন। হরিশচন্দ্রের পরামর্শ S BBBB BBBBB BBB BBD DDB BDDD DDBB DDBBBS D DDB BB DDDDD SgB BBBS BBBBBB BBBB BBB BBBBB BBBS BBBB BBBBB BBB DDD বিনা লিলে ধার দিরছিলেন। হরিশ্চন্দ্র যোগ্যপত্রের পিতা ছিলেন।.....যখন তিনি রামতারণের ফশ পরিশোধে অক্ষমতা বোধ করিলেন, তখন তিনি নিজের বাড়ীর নিকটবতী একটি মল্যবান গপত্ত্বি রামতারদের নামে রেজেম্মী দলিল বারা কবালা করিয়াছিলেন। রামতারণ কিন্তু এবিষয়ে অনেকদিন পর্যন্ত কিছুই জানিতেন না। একদিন রামতারণের সঙ্গে হরিশচলের সাক্ষাৎ হইলে, হরিশ্চন্দ্র ষ্ট্রঞ্জারণের হাতে দিয়া ঋণের দায় হইতে অব্যহতি প্রার্থনা করিলেন।