পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমরা যথাসময়ে গ্রেভসেল্ডে পৌছিলাম। কলিকাতা হইতে গ্রেভসেড়ে পৌছিতে আমাদের ৩৩ দিন লাগিয়াছিল। সেখান হইতে লণ্ডনের ফেন চাচ টাঁট স্টেশনে গেলাম। পল্যাটফমে জগদীশচন্দ্র বস এবং সত্যুরঞ্জন দাশ (ভারত গবৰ্ণমেণ্টের ভূতপবে আইন সচিব মিঃ এস, আর, দাশের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা) আমাদের অভ্যর্থনা করিলেন। ডি, এন, রায় এবং আমি প্রায় এক সপ্তাহ তাঁহাদের নিকট থাকিয়া লন্ডনের অনেক দশ্য দেখিলাম। সিংহভ্রাতারা (পরলোকগত কর্ণেল এন, পি, সিংহ আই, এম, এস এবং পরলোকগত লর্ড সিংহ) সৌজন্য সহকারে আমাদের পথপ্রদশক পাড়া হইলেন। টেমস নদীর উপরে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রাজধানীর জাঁকজমকপণ দশ্য আমি আমার সম্মখে প্রত্যক্ষ দেখিলাম। এই সহর এতদর ব্যাপিয়া ষে, দেখিয়া আমি স্তম্ভিত হইলাম। আমরা রিজেণ্ট পাকের নিকটে লস্টার রোডে বাসা লইলাম। এই অঞ্চল রাস্তার গাড়ীঘোড়ার কোলাহল হইতে মন্ত ছিল। এই রাস্তা এবং ইহার নিকটবতী রাস্তায় ঠিক একই ধরণে তৈয়ারী বাড়ী, দেখিতে ঠিক একই রকম। ল্যাণ্ডলেডী তোমাকে একটী বাহিরের দরজার চাবি দিবেন। কিন্তু তুমি যদি সহরে নবাগত হও, কিবা অনেক রাত্রিতে বাড়ীতে ফিরিবার পথে বাড়ীর নম্বর ভুলিয়া যাও, তাহা হইলে তোমার দদশার শেষ নাই! যদি তোমাকে সহরের কোন দরবতী স্থানে যাইতে হয়, তাহা হইলে তোমাকে sWade-mecum বা লন্ডনের মানচিত্র দেখিতেই হইবে। এবং তারপর যথাস্থান ঠিক করিয়া নিদিষ্ট বাস গাড়ী বা ভূ-নিম্নস্থ রেলগাড়ীতে চড়িতে হইবে। নতুবা তোমার গোলকধাঁধায় পড়িয়া হাবড়ুব খাওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশী। ১৮৮২ সালের প্রথম ভাগেও লন্ডনে টিউব রেল ছিল না। লন্ডনে যাঁহারা জীবনের অধিকাংশ সময় বাপন করিয়াছেন, এমন কি যাহারা সেখানে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন ও লালিতপালিত হইয়াছেন, তাঁহারাও ম্যাপ না দেখিয়া লন্ডনের রাস্তাঘাট ঠিক করিতে পারেন না। সৌভাগ্যক্রমে লণ্ডন পালিশম্যান সবদাই তোমাকে সাহায্য করিতে প্রস্তুত। বিদেশীর প্রতি সে বিশেষ. রাপ মনোযোগ দেয় ও সৌজন্য প্রদর্শন করে। তাহার পকেটে ম্যাপ থাকে এবং ঐ অঞ্চলের রাস্তাঘাট তাহার নখদপণে। তুমি যে সংবাদই চাওনা কেন, তাহার জানা আছে। “এই পথে গিয়া বামদিকে তৃতীয় রাস্তার মোড় ঘরিয়া সোজা গেলেই আপনি গন্তব্যস্থানে পেছিবেন”। এই প্রসঙ্গে সেক্সপীয়রের “মাৰ্চেণ্ট অব ভেনিস" নাটকে লক্সেলট গোবের রাস্তার বর্ণনা স্বভাবতই আমাদের মনে আসে। . - কখন লন্ডন পালিশম্যান তোমাকে ঠিক বাস গাড়ীর জন্য অপেক্ষা করিতে বলিবে এবং গাড়ী আসিলে ড্রাইভারকে বলিয়া দিবে তোমাকে যেন ঠিক জায়গায় নামাইয়া দেয়। জামার ছাত্রাবস্থায় লন্ডনের লোকসংখ্যা ৪০ লক্ষ ছিল—প্রায় স্কটল্যান্ড দেশের লোকসংখ্যার সমান। চতুথব্লার (১৯২০) আমি যখন বিলাত যাই, তখন দেখিলাম লণ্ডনের লোকসংখ্যা বাড়িয়া সত্তর লক্ষ হইয়াছে, সঙ্গে সঙ্গে সহরের আয়তনও বাড়িয়াছে। গ্রেটরিটেনের কয়েকটি বন্দর ও পোতাশ্রয়েরও বিরাট উন্নতি হইয়াছে। এই প্রসঙ্গে লণ্ডন ছাড়া লিভারপলে, পলাসগো, গ্রনিক প্রভৃতির নাম করা যাইতে পারে। এ বিষয়ে আর বেশী বলিবার দরকার নাই। লন্ডন সহরে আমার অবস্থিতির প্রথম সপ্তাহেই আমার সঙ্কোচ ও ভয়ের ভাব অনেকটা কাটিয়া গিয়াছিল। কোন নতন স্থানে প্রথম গেলে, অপরিচিত আবহা লোকের মনে এইরুপ সঙ্কোচ ও ভয়ের ভাব আসে। আমি লন্ডন হইতে এডিনবার্গ যাত্রা করিলাম। এডিনবাগ বহুদিন হইতে বিদ্যাनौठेब्रटन विथाठ। धनञ्ठद्भावमा ४ावर फ़िॉकरनायिना यिष्णवठी एणtवाढ़ यिना शिथिषाग्न জন্য দেশ বিদেশ হইতে ছাত্রেরা এডিনবাগে অসিত। কয়েকজন বিখ্যাত অধ্যাপক রসায়ন