পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঐ দিন আসিবার পথে আমি কখনই বাধা দিব না বা উহাকে বিলম্বিত করিব না। যখন శా కా r i tశానిగా గా గా గా గా !" * দই হইতে সর তুলিয়া লইলে তাহা যেমন খেলো জিনিষ হইয়া পড়ে, সেইরাপ মেকলের সদিচ্ছাপণ বস্তৃতাও ইণ্ডিয়া আফিস ও আমলাতদের দপ্তরের মধ্যে কেবল মাত্র শান্য প্রতিধর্মনিতে পরিণত হইয়াছে। ভারতের কবি-বড়লাট লর্ড লিটন তাঁহার প্রসিদ্ধ সাহিত্যিক পিতার বহন গণ পাইয়াছিলেন। লর্ড লিটন অত্যন্ত খোলাখুলি ভাবেই ভারত সচিবকে এ বিষয়ে লিখিয়াছিলেন। ফলে একটা আপোস হয় এবং তাহার ফলেই "ষ্ট্যাটটরী সিভিল সাভিসের" সন্টি হয়। (২) যোগ্যতা-সম্পন্ন এবং আভিজাত্য-পন্থী ভারতীয়দিগকে “স্ট্যাটটরী” সিভিল সাভিসে লওয়া হইল, তবে সত থাকিল যে তাহারা আসল সিভিল সাভিসের গ্রেডের তিন ভাগের দই ভাগ বেতন পাইবে। বিলাতে যে প্রতিযোগিতা পরীক্ষা হইবে, তাহা কেবল ব্রিটিশদের জন্য (আইরিশরাও তাহার অন্তভুক্ত) উন্মুক্ত থাকিবে। শিক্ষা-বিভাগেও এই নিয়ম প্রবেশ করিল। আমার তিন বৎসর পাবে জগদীশচন্দ্র বস, বিলাত হইতে প্রত্যাবর্তন করেন। তিনি লন্ডন কেত্ৰিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সমধিক কৃতিত্বের পরিচয় দিয়াছিলেন। কিন্তু তাঁহাকেও স্বদেশে শিক্ষাবিভাগে উচ্চতর পদ লাভের চেষ্টায় পদে পদে বাধা পাইতে হইয়াছিল। শেষে তাঁহাকে এই সতে উচ্চতর বিভাগে লওয়া হইল যে তিনি—ঐ গ্রেডের পরা বেতন দাবী করিতে পারবেন না। মাত্র তাহার দুই তৃতীয়াংশ পাইবেন। সবে দই একটি ক্ষেত্রে ভারতবাসীরা উচ্চতর সাভিসে প্রবেশ করিতে পারিয়াছেন, কিন্তু তাহার স্বারা অবস্থাটা আরও বিসদৃশ হইয়া উঠিয়াছে। সাধারণতঃ যোগ্য ভারতবাসীরাও সাভিসের নিম্নস্তরে মাত্র প্রবেশ করিতে পারিতেন। এই ভাবে ভারতীয়গণকে উচ্চতর পদ হইতে বঞ্চিত করাতে ভারতে এবং ভারতবন্ধ ইংরাজগণ কতৃক ব্রিটিশ পালামেন্টে আলোচনা হইতে লাগিল এবং তাহার কিছু ফলও হইল। লর্ড ডফরিনের গবর্ণমেণ্ট ভারত সচিবের পরামশে একটা “পাবলিক সাভিস কমিশন" নিযুক্ত করিলেন। এই কমিশনের উদ্দেশ্য, ভারতবাসীদিগকে কি ভাবে সরকারী কাষে অধিকতর সংখ্যায় গ্রহণ করা যায়, তাহার উপায় নিধারণ করা। কমিশন যে সিন্ধান্ত করিলেন তাহা কতকটা পর্বতন নীতির সহিত আপোস রফা। ভারতবাসীদের আশা আকাঙ্ক্ষা পণ করিবার জন্য যাহাই করা যাক না কেন, প্ৰভু জাতির সবাথ ও সুবিধা যাহাতে অব্যাহত থাকে তাহা সবাগ্নে দেখিতে হইবে। “ইপিরিয়াল” ও “প্রভিনসিয়াল” এই দই শ্রেণীর পদের সন্টি হইল,—প্রথম শ্রেণীর পদ ব্রিটিশদের জন্য এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ ভারতীয়দের জন্য। గా সাভিসের বেতনের পরিমাণ কাষত প্রভিনসিয়াল সাভিসের বিগণ করা | ১৮৮৮ সালের আগস্ট হইতে ১৮৮১ সালের জনের শেষ পর্যন্ত আমার কোন কাজ ছিল না। ঐ সময় আমার বড় অবস্থিত বোধ হইয়াছিল। আমি টনীকে বলিয়ছিলাম, শ্যামসনের চুলের অভাবে যে দশা হইয়াছিল, লেবরেটরি না থাকিলে রসায়নবিদেরও ঠিক সেই দশা হয়, তাহার কোনই ক্ষমতা থাকে না। এই সময়ে আমি প্রায়ই ডাঃ জগদীশচন্দ্র বসন এবং তাঁহার পত্নীর আতিথ্য গ্রহণ করিতাম। রসায়ন শাস্ম ও উদ্ভিদবিদ্যা চচ্চা (২) লর্ড লিটন ট্যাটটর সিভিল সাভিস প্রবর্তনের কারণ প্রদর্শন করিয়া ভারতসচিবকে এই পত্র লিখেন।