পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সহিত আমার বন্ধতা হয়। এই বিপদে তাঁহার শরণাপন্ন হইব বলিয়া স্থির করিলাম। পরদিন প্রাতে সন্নান উপাসনা সমাপন করিয়া রাধিকাবাবার বাড়িতে গিয়া উপস্থিত হইলাম। তিনি আমার মাখে সমাদয় বিবরণ শনিয়া এ কাজের ভার লইতে স্বীকৃত হইলেন। তৎক্ষণাৎ টমটম যোতা হইল, আমরা দইজনে মন্দিরের অভিমখে যাত্রা করিলাম। তিনি অধৰ দন্ডের মধ্যে পরীক্ষা করিয়া নেপাল-সমাগত কাঠ বাছিয়া, যেগলি বজান করিতে হইবে সেগলিতে খড়ির দাগ দিলেন। কি প্রণালীতে মন্দিরের অবশিস্ট কাব্য শেষ করিতে হইবে তাহা আমাদিগকে জানাইলেন, লোহার থাম ও কড়ি কোথায় পাওয়া যাইবে তাহা লিখিয়া দিলেন, এবং তৎপরে নিজেই কতকগলি থামের মাথায় বসাইবার মতো লোহার বাক্সের অডার দিবার জন্য সেই টমটমে চিৎপরের লোহার কারখানাতে চলিয়া গেলেন। আমাকে তৎপরদিন প্রাতে তাঁহার বাড়িতে যাইবার জন্য অনরোধ করিয়া গেলেন। তৎপরদিন ভবানীপরে তাঁহার ভবনে গিয়া দেখি, একজন কন্ট্রাক্টর বসিয়া আছেন, তাঁহাকে তিনি ডাকাইয়া আনিয়াছেন। সেই কণট্রাক্টরের সঙ্গে কণাষ্ট্রাক্ট স্থির হইল। পরদিন লেখাপড়া হইল, অগ্রিম টাকা দেওয়া গেল। দইদিনের মধ্যে মন্দিরের কাজ আরম্ভ হইল। আমার মাথার বোঝা যেন নামিয়া গেল। মহলানবিশ মহাশয় প্রতিদিন নিমাণ কাযের তত্ত্বাবধান করিতে লাগিলেন। আমি সে দায় হইতে নিমন্ত হইয়া অন্য কাযে। মনোনিবেশ করিলাম, এবং মন্দিরের জন্য অৰ্থ সংগ্ৰহ করিতে প্রবত্ত হইলাম। ১৮৮১ সালের ১০ই মাঘ ৪৫নং বেনিয়াটোলা লেন হইতে নগর কীন্তন করিয়া আসিয়া মন্দির প্রতিস্ঠা করা গেল। সেই একদিন । আমরা গাহিতে গাহিতে আসিয়া দেখি, বন্ধ শিবচন্দ্র দেব মন্দিরের চাবি হস্তে দাবারদেশে দন্ডায়মান আছেন। তিনি ঈশবিরের শাভাশীবাদ ভিক্ষা পাবক মন্দিরের দাবার উদঘাটন করিলেন। মহোৎসাহে মন্দিরের প্রতিস্ঠা কায সমাধা করা গেল। S by R