পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Vo শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ ७छे श्र.ि যো-পাপ ত্যাগ কবিতেছি তাহার প্রতি ঘূণা বাড়ে, এবং ব্যাকুলতাও वicg । পিতা মাতা ও মাতুলের ক্লেশ -যাঙ্গা হউক, আমি উপবীত রাখিব না, এরূপ সংকল্প কবিয়াও তােহা ত্যাগ কবিতে কিছুদিন গেল। প্ৰথমে মাতা ঠাকুবাণা এষ্ট সংবাদ পাইবামাত্র মাতুলালয়ে আসিয়া আমাকে ডাকাইয়া পাঠাইলেন, এবং কাদিয়া কাটিয়া উপবীতটা আমাৰ স্কন্ধে চাপাইয়া দিয়া গেলেন। তৎপবে যাহাকে পরামর্শ জিজ্ঞাসা কবি, সেই উপবীত ফেলাব বিরুদ্ধে বলে । অৰ্থ আমি ভাবিতে গেলেও সম্মুখে বড় বিপদ দেখি। আমি পিতামাতাল একমাত্র পুত্র। উন্মাদিন গত হওয়াব পাব আব্ব ৩িনটা ভগিনী হইয়াছে, তাহারা সকলেই ছোট। আমি পিতা-মাতার একমাত্র অবলম্বন। লোকে যখন বলে, মা মবিবে, বাবা পাগল হইয়া যাইবেন, তখন কিছুই বিচিত্ৰ মনে হয় না। কি কবি, কি করি, এমন কঠিন সমস্ত আমাল জীবনে কখনও উপস্থিত হয় নাই। এদিকে উপবীত রাখিয়া উপাসনা করিতে যাই, উপাসনা কবিতে পাবি না । কে যেন হৃদয়ে থাকিয়া ছিা ছি বলে । কে যেন আমাকে চায়, কে যেন আমাকে ডাকে । এইরূপ মানসিক আন্দোলনে আমাৰ শাবাব ভাঙ্গিয়া পড়িতে লাগিল ; হজমশক্তি নষ্ট হইয়া দারুণ উদবাময়ে ধরিল। অবশেষে আমি অনন্যগতি হইয়া ঈশ্বর-চরণে পড়িলাম ; আপনার বিচাব ও কর্তৃত্ব ছাড়িয়া দিলাম ; প্রার্থনাতে বাব বাব বলিতে লাগিলাম, “তুমি আমাকে লইয়া যাহা হয় কর।” কি আশ্চৰ্য্য! কিছুদিনের মধ্যে হৃদয়ে আশ্চৰ্য্য পরিবর্তন লক্ষ্য করিলাম। এত যে ভয় বিভীষিকা, কোথায় যেন পলাইয়া গেল ! আমার মনে অভূতপূর্ব বল ও উৎসাহ আসিল ! উঠতে, বসিতে গুইতে, জাগিতে, কি এক অপূৰ্ব আশ্বাসবাণী শুনিতে লাগিলাম ! কে যেন বলিতে লাগিলেন, “তোমার কাজ আছে, তোমাকে চাই, তুমি