পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/১৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ yo) সভাপতি ও মূল সভাপতি তাদের অভিভাষণ পাঠ করলেন। দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন ব্রিটিশ ইণ্ডিয়ান এসোসিয়েশন গৃত্বে হল। সেইদিনের সভা শেষ হওয়ার পূর্বেই স্বরেন্দ্রনাথ জলদগম্ভীর স্বরে ঘোষণা করলেন যে পরদিন টাউন হলে আবার কংগ্রেসের অধিবেশন হবে। পরদিন যথাসময়ের পূর্বেই টাউন হলে গেলাম। পূর্ব দুই দিন যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলাম, তারি জন্যই সভারম্ভের প্রায় এক ঘণ্টা পূর্বে টাউন হলে উপস্থিত হয়েছিলাম। আর সেই জন্যই প্ৰতিনিধিদের নির্দিষ্ট আসনের প্রথম শ্রেণীতেই স্থান সংগ্ৰহ করতে পেরেছিলাম। তাতে আমার পক্ষে দেখাশোনার যথেষ্ট সুবিধা হয়েছিল। প্ৰথম দিনের অধিবেশন আরম্ভ হবার প্রায় আধা ঘণ্টা পূর্বেই দেখতে পেলাম একটি গৌরবর্ণ যুবক মঞ্চের উপর এবং মঞ্চের চারিপাশে ব্যস্ত-সমস্ত হয়ে ঘোরাঘুরি করছেন। যুবকটি দেখতে যেমন সুন্দর, তার পরিচ্ছদও তেমনি পরিপাটি; দেখলেই বুঝতে পারা যায় তিনি খুব সম্রান্ত ঘরের সন্তান। চোখে সোনার চশমা, গায়ে লম্বা একটা কোট, গলায় একটা আলোয়ান জড়ানো --সেই আলোয়ানের উপর দু-দুটো ব্যাজ-একটি অভ্যর্থনা সমিতির সদস্তের, আর একটি প্রতিনিধির । আর তিনি যে ভাবে বড় বড় রাখীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, সম্বাস্ত অভ্যাগতদিগকে অভ্যর্থনা করছিলেন, তা দেখে বুঝতে পারলাম যে তিনি যুবক হলেও কংগ্রেসের একজন বড় পাণ্ডা। আমার পার্থে যে বাঙ্গালী প্রতিনিধিটি বসে ছিলেন, তঁকে ঐ যুবকের পরিচয় জিজ্ঞাসা করতে তিনি অবাক BDB DDBDBSBG D DDESYT D BBB LLLBBD DDDS S DBBL অশ্বিনীবাবু। আমি বিনীতভাবে বললাম, ওর নাম অনেক শুনেছি, কিন্তু পাড়াগাঁয়ে থাকি, তাই চিনতে পারি নি । অনেকের স্বভাব আছে লোকের সঙ্গে গায়ে পড়ে আলাপ করে। আমার সে স্বভাব মোটেই তখনও ছিল না, এখনও নেই। আমি কারও সঙ্গে আপনা। হ’তে আলাপ করতে পারিনে, এখন তো মোটেই পারিনে-যৌবন কালেও পারতাম না। কাজেই দেশমান্ত অশ্বিনীবাবুর সঙ্গে পরিচিত হবার সৌভাগ্য আমার হোলো না। আমি সেই সৌম্যমূর্তি যুবককে দূর থেকে দেখেই তৃপ্তি লাভ 夺颈可阿卜 যথাসময়ে সভা আরম্ভ হ’ল। সেইদিনের দুইটি ঘটনা আমার বেশ মনে আছে। তার মধ্যে একটি-উত্তরপাড়ার অশীতিপর বৃদ্ধ অন্ধ জমিদার জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের সভায় আগমন। দুইজন লোকের স্বন্ধে ভর দিয়ে মুখোপাধ্যায়