পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/১৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>史之 আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ সুরেশচন্দ্র বললেন “আমাদের জলধর দাদার সঙ্গে আপনার পরিচয় করিয়ে দিতে এসেছি।” আমি তখন অগ্রসর হয়ে গুরুদাসবাবুকে যথারীতি প্ৰণাম করতেই তিনি বলে উঠলেন “আহা, থাক থাক।” সুরেশকে বললেন “ওর লেখার তা খুব প্ৰশংসা শুনতে পাই । বেশ, বেশ ।” সুবেশচন্দ্র তখন বললেন যে, তিনি আমার কয়েকটি ভ্রমণ-কথা “প্রবাস-চিত্র’ নাম দিয়ে ছাপতে আরম্ভ করেছেন। ছাপার খরচ তিনি এবং তঁার এক বন্ধু দেবেন। গুরুদাসবাবুকে ঐ বইয়ের প্রকাশক হ’তে হবে । গুরুদাসবাবু বললেন, “বেশ, তাতে আর আমার আপত্তি কি। আমিই সব খরচ দিতাম। তা তোমরা যখন সে ব্যবস্থা করেছ, ভালই করেছ। এরপর জলধরবাবুৰ যে বই ছাপা হবে, আমি তার সব ভার নেব ।” হেমেন্দ্ৰপ্ৰসাদ বললেন ‘এই বইখানি কেমন চলে, তাই দেখে পরে এর হিমালয়-ভ্ৰমণও ছপাবার ইচ্ছা আছে।’ গুরুদাসবাবু বললেন ‘আমিই সে ভাব নেব।” তথন সুরেশীবাবু আমার অন্য পরিচয় দিলেন। গুরুদাসবাবু বললেন “যখনই কলিকাতায় আসবেন, আমার সঙ্গে দেখা করে যাবেন ।” আমি সম্মতিসূচক ঘাড় নেড়ে তেঁাকে প্ৰণাম করে সুরেশ ও হেমেন্দ্রের সঙ্গে সে স্থান ত্যাগ করলাম। গুরুদাসবাবুর সঙ্গে এই আমার প্রথম পরিচয় । ইহার তিন-চার মাস পরে মহিষাদলের মাষ্টারী ছেড়ে দিয়ে কলকাতায় চলে আসি। যেদিন কলিকাতায় আসি সেই দিনই সন্ধ্যার পূর্বে গুরুদাসবাবুর সঙ্গে DDD BDB Dg SS SDDB DDOB BDBSBDDBDS DDD DDD DD D BBDDS তখন তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন “ছেড়ে তা এলেন । তারপর কি করবেন ?” আমি বললাম “আপনার আশীর্বাদে কিছু করবার পথও হয়েছে। পাঁচকড়িবাবু ও সুরেশবাবু'বঙ্গবাসীর' অধিনায়ক যোগেন্দ্রবাবুকে বলে আমার জন্য “বঙ্গবাসী' আফিসে একটা চাকুরী স্থির করেছেন। আজ সন্ধ্যার পর যোগেন্দ্রবাবুর বাড়ী গেলে কথা পাকা হবে।” গুরুদাসবাবু যেন স্বস্তির বিশ্বাস ফেললেন, বললেন, “তবুও ভাল। আমি DBDBD DtiD DBDBDDS DDBBDDJLBB DDDSB BBDSS BD DDD জানেন, খবরের কাগজে কাজ ত কখন করেন নি। যোগেন্দ্রবাবু প্ৰথম