পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ ভিতর দিয়ে যেতে অনেকেরই সর্বনাশ হয়েছে। এই ভয়ে তখন কার দিনে আমাদের গ্রাম থেকে কলকাতায় যেতে কেউ বড় একটা সাহস করতেন না । তখন আমাদের গায়ের লোক মোটেই কলকাতায় ছিল না, এমন নয়। তারও একটু ইতিহাস আছে। আমাদের গ্রামটিতে ব্ৰাহ্মণ, কায়স্থ এবং অন্যান্য জাত অনেক থাকলেও, সংখ্যায় বেশী ছিল এবং এখনও আছে তিলিজাতি । এদের সবায়েরই ধান-চালের কারবার ছিল-এখন যদিও অনেকে জমিদার হয়েছেন, বড় বড় চাকুরে হয়েছেন, ডাক্তার হয়েছেন । আগে কিন্তু আমাদের গায়ের এই জাতের কেউ অপরের চাকুরী করত না । যাকে নিতান্তই চাকুরী করতে হ’ত, সে স্বজাতীয় কারও আড়তে বা মোকামে চাকুরী করত । এই তিলি মহাশয়দের ধানচালের মোকাম ছিল রাজসাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, রংপুর প্রভৃতি জেলায়। এসব জেলায় যে চাল হ’ত এবং এখনও হয়, তার নাম মুগীচাল। কলকাতার হাটখোলা, কুমারটুলীতে এই মুগীচালের অনেক আড়ত ছিল । ধারা ধনী মহাজন, তারা কখনও কলকাতায় আসতেন না । চোর-ডাকাত এবং পথের কষ্টের জন্য তঁর কর্মচারীদের উপরই কলকাতার আড়তের ভার দিয়ে রাখতেন। কলকাতার এই সব আড়াতে আসল ধনীর নাম প্রচারই হ’ত না । যিনি প্ৰধান কর্মচারী বা গদীয়ান থাকতেন, তারই নাম চলত, তাদেরই মান-সন্ত্রম-পশার প্রতিপত্তি হ’ত। আমাদের গ্রামের যে কযটা আড়ত সে সময়ে কলকাতায় ছিল, সেগুলির গদীয়ান আমাদেরই গ্রামেরই লোক ছিলেন। তঁরা গোড়ায় রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া প্ৰভৃতি স্থানের মোকামে কাজ করে” প্ৰবাসী হতে অভ্যস্ত হয়ে, তবে কলকাতায় আসতেন। তারা প্রায়ই ২॥৪৫ বছর অন্তর দেশে আসতেন। আমার পিতার মনিব রামমোহন প্ৰামাণিক মহাশয়ের মাথায় যখন বিলাতী। কাপড়ের ব্যবসার খেয়াল ঢুকল, তখন তিনি প্ৰথমে মনে করেছিলেন, কলকাতায় যে সব গদীয়ান আছেন, তাদেরই মারফতে কাপড় আনাবেন । কিন্তু শেষে BDBDBD BBBDBD BDBS DB DD DDBBB D DDB DS SDBD BBDBD গদীয়ানের একটা অখ্যাতি ছিল। তারা মনিরুর লাভ যে দেখাতেন না। DBS DSDBDBD DBB DDB BBBD DD BBBDSS S DBDD BBBDD ttt DBDB DB BBS SqDDDS DBB DDD BDB BBBS D BDBDS DD এ ব্যাপার হত, তা’ খুলে না লেখাই ভাল। - রামমোহন প্ৰামাণিক মহাশয় পাকা ব্যবসাদার ছিলেন । তিনি শেষে স্থির করলেন যে, নিজেদের লোক