পাতা:আনন্দমঠ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


: उिँौग्न १७-दिउँौग्न श्रृंब्रिट्क्लङ्ग やき পড়িয়া ছিল, তাহ লইয়৷ শ্মশ্রুগুম্ফ রচিত করিল। কিন্তু পরিতে পারিল না। ভাবিল, “ছি! ছি:৷ ছি! তাও কি হয়। সে দিন কাল কি আছে। তবে বুড়ে বেটাকে জব্দ করিবার জন্য, এ তুলিয়া রাখা ভাল।” এই ভাবিয়া শান্তি সেগুলি কাপড়ে বাধিয়া রাখিল । তার পর ঘরের ভিতর হইতে এক বৃহৎ হরিশচন্দ্র বাহির করিয়া, কণ্ঠের উপর গ্রন্থি দিয়া, কণ্ঠ হইতে জামু পৰ্য্যন্ত শরীর আবৃত করিল। এইরূপে সজ্জিত হইয়া সেই নূতন সন্ন্যাসী গৃহমধ্যে ধীরে ধীরে চারি দিক নিরীক্ষণ করিল। রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর হইলে শান্তি সেই সন্ন্যাসিবেশে দ্বারোদঘাটন পূর্বক অন্ধকারে একাকিনী গভীর বনমধ্যে প্রবেশ করিলেন। বনদেবীগণ সেই নিশীথে কাননমধ্যে অপূৰ্ব্ব গীতধ্বনি শ্রবণ করিল। গীত । “দড় বড়ি ঘোড়া চড়ি কোথা তুমি যাও রে ।" “সমরে চলিচু আমি হামে না ফিরাও রে । হরি হরি হরি হরি বলি রণরঙ্গে, ঝাপ দিব প্রাণ অক্তি সমর তরঙ্গে, তুমি কার কে তোমার, কেন এসে সঙ্গে, রমণীতে নাহি সাধ, রণজয় গাও রে ।” R “পায়ে ধরি প্রাণনাথ আমি ছেড়ে যেও না।” “ওই শুন বাজে ঘন রণজয় বাজনা । নাচিছে তুরঙ্গ মোর রণ করে কামনা, উড়িল আমার মন, ঘরে আর রব না, রমণীতে নাহি সাধ রণজয় গাও রে ।” • রাগিণী বাক্ষী-তল আড়া .