গিয়া তুরষ্কের অভ্যুদয় হইতে প্রেরণা পাইয়াছে অহরহ। নারীর মুক্তি-সংগ্রামের পথে আমাদের উদ্বুদ্ধ করিয়াছে তুরষ্কের নারী-জাগরণ।
এভাবে সুখে-দুঃখে তুরস্কের সঙ্গে আমাদের চিরকালের অচ্ছেদ্য সম্পর্ক। কাজেই পাকিস্তানের শুভেচ্ছা বহন করিয়া ত্রিশজন পাকিস্তানীর একটা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তুরস্ক যাইব শুনিয়া আনন্দে উৎফুল্ল হইয়া উঠিলাম!
করাচী হইতে আমরা ১লা নভেম্বর ‘দারেসা’ জাহাজে তুরষ্কের পথে যাত্রা করিলাম।
পরের দিন। আমরা আরব সাগরে ভাসিয়া চলিয়াছি। আমাদের মিশনের মেম্বর সবাই ডেকের উপরে; একটু আগেই দেখিয়া আসিলাম, কেহ ডেক-চেয়ারে শুইয়া সমুদ্রের দৃশ্য উপভোগ করিতেছেন, কোন দল পিংপং খেলিতেছেন, কোন দল নাচের রিহার্সেল দিতেছেন, কোন দল বা গানের। আমি দোতলায় ক্যাবিনের পাশে নিরিবিলি বারান্দায় বসিয়া লিখিতেছি। শুধু পেশাওয়ারের মেয়ে মসুদার শরীরটা ভাল নাই, সে ক্যাবিনে শুইয়া বিশ্রাম করিতেছে।
গতকাল বিকালে গোটা পাঁচেকের সময় আমাদের জাহাজ করাচীর কেমারী বন্দর ছাড়িয়া আসিল। ছাড়িবার সময় জাহাজের ভিতরে এবং সমুদ্রের তীরে এক সঙ্গে অনেকগুলি হাত দুলিল, রাশি রাশি রুমাল উড়িল, জাহাজ ক্রমেই তীর হইতে সরিয়া আসিতেছিল; মনে পড়িতেছিল, ঢাকা হইতে আসিবার সময়