তেজগাঁও এয়ার-পোর্টে ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরা মিশনের সদস্যদের ফুলের তোড়া ও মালায় আচ্ছন্ন করিয়া দিয়া বলিয়াছিলেন, ‘এই সঙ্গে রইল আমাদের শুভেচ্ছা। দুনিয়ার পাকিস্তানের মর্যাদা বুদ্ধি হোক আপনাদের দ্বারা।’ আরো মনে পড়িতেছে, কোন শিক্ষাবিদ্ বন্ধু বলিয়াছিলেন, ‘পাকিস্তানের মর্যাদা আমরা নিশ্চিন্ত ভাবেই সঁপিয়াছি তোমাদের হাতে।’ এযে কত বড় দায়িত্ব, জাহাজ ছাড়িবার সঙ্গে সঙ্গে তাহা মর্মে মর্মে অনুভব করিলাম।
পরিচিতি
আমাদের শুভেচ্ছা মিশনের সদস্য মোট ত্রিশজন, তার মধ্যে বেশীর ভাগই ছাত্র-ছাত্রী। বারজন ছাত্র, বারজন ছাত্রী এবং বাকী ছয়জন অভিজ্ঞ বয়স্ক ব্যক্তি লইয়া মোট ত্রিশ জনের এই মিশন। বয়স্কদের মধ্যে মেয়ে শুধু আমি। করাচী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলার প্রফেসর এ. বি. এ. হালিম মিশনের নেতা ও করাচীস্থ তুর্ক-পাকিস্তান কালচারাল এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী ডক্টর মঈনুল হক মিশনের সেক্রেটারী। ইহা ছাড়া লাহোরের মেয়ো আর্ট কলেজের ভূতপূর্ব প্রিন্সিপাল মিঞা মোহম্মদ হোসায়ন চিত্রকর হিসাবে, মিঃ ফিরোজ বাচোম নামক পার্সি ভদ্রলোক পিয়ানো বাদক এবং পূর্ববঙ্গের পল্লীকবি জসীম উদ্দীন কবি হিসাবে মিশনে যোগদান করিয়াছেন।