পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/১৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমার বোম্বাই প্রবাস מאכל কোম্পানির জন্ত নয় ) সমুদ্র পথ উন্মুক্ত, শুভযাত্র উদ্দেশে ফলফুল নারিকেল উপহার দিয়া সমুদ্রেব আরাধনা করিতে হয়। হিন্দুগণ ছোট বড় সকলে সাজসজ্জা করিয়া নারিকেল ও পুষ্পইস্তে সমুদ্রাভিমুখে বাহির হয়। লোকের ঝুঁকে বাকে সাগর অর্চনায় সম্মিলিত-পুরোহিতের মন্ত্রপূত চাউল দুধ নারিকেল প্রভৃতি সামগ্ৰী সকল সমুদ্রে নিক্ষিপ্ত হয়। তাহার সকলি যে বরুণদেবেধ ভোগে আইসে তাহ নয় । নারিকেল নিক্ষিপ্ত হইবামাত্র একদল কুলী তাহ সীতার দিয়া ধবিতে যায় ও কাড়াকড়ি করিয়া যে পারে বরণের ধন লুটিয়া আনে। সমুদ্র তাহাতে বিরক্তি প্রকাশ করেন না, বরং উদার হস্তে তহি। কাঙ্গালীদেব বিতরণ কবেন । বোম্বায়ে এই BBBBB BBBB SBBB BBBBS BBB BB BBBS BBS BBB BSBB বিক্রী, কোথাও মিষ্টান্নের দোকান বসিয়াছে, কোথাও বা একদল পালওয়ানের মল্লযুদ্ধ চলিতেছে ও মধ্যে মধ্যে জেতার প্রতি দর্শকমণ্ডলীর করতালি সাবাস ধ্বনি উত্থিত হইতেছে। কোথাও একদল নৰ্ত্তকী মৃত্য করিতেছে। কাঙ্গালীরা ভিক্ষ আদায়ের জন্ত কতপ্রকার ফন্দী করিয়া বেড়াইতেছে। ওদিকে একজন গণকঠাকুব হাত দেখিয়া শুভাশুভ গণির দিতেছেন, তাহাব ভাবভঙ্গী দেখিলে বোধ হয় সেন সত্যই তাহতে দৈবশক্তি মূৰ্ত্তিমতী। অন্তত্ৰে নাগরদোলায় বালকের ঘুরপাক খাইতেছে। নানা দিক হইতে লোকজনের যাতায়াত, সকলেই দুদণ্ডেব জন্ত আমোদ আহলাদে যোগ দিতে তৎপর । কানাড়ায় চন্দন বৃক্ষ জন্মে, সেকানকাব চন্দন কাঠের উপর নক্সাকাটা বাক্স টেবিল পরদ প্রভৃতি অনেক জিনিষ তয়ের হয় । তাহদেব কারুকার্য্য প্রশংসনীয়। BBBBB BBBB BB BBB BBBB BBBBBB BBB S BBBBBB BBB কর্ণাট নৰ্ত্তকীদের লোভনীয় নৃত্যগীতের উল্লেখ না করিলে এ প্রসঙ্গু অঙ্গহীন হইয়৷ পড়ে কিন্তু প্রস্তাব বাহুল্য ভয়ে তাহার সবিস্তাব বিববণ ইষ্টতে বিবত হইলাম। একটি কথা মনে হইতেছে বলি, আমবা কাবওয়াবে একবার একটি নৰ্ত্তকীর মুখে জয়দেবের কাব্যগীত শুনিয়াছিলাম। গান অতি চমৎকার, তার তেমন শুদ্ধ সংস্কৃত উচ্চারণ বাঙ্গালা দেশের বড় বড় পণ্ডিতের মুখেও শুনা যায় না। সংস্কৃত নাটকে স্ত্রীলোকদের প্রাকৃত ভাষায় কথা কহিবার রীতি আছে কিন্তু সংস্কৃত যে তাহদের মুখে কত ভাল শুনায় তাহ বুঝিতে পারিলাম। কর্ণাট সম্বন্ধীয় আরো অনেক বলিবার আছে—মূতন জিনিস নুতন নুতন লোক কিন্তু সে সব অনেককালের কথা, লিখিবার মত তেমন স্পষ্ট মনে হইতেছে না । জায়গাটার কেবল এক দোষ যে যাতায়াতের অসুবিধা । সপ্তাহে সপ্তাহে একটা মেল ষ্টীমার আমাদের ডাক বহন করিয়া আনিত ;