পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/১৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তামার বোম্বাই প্রবাস శీసీ কিন্তু দুবগৃষ্ট ক্রমে সে ইচ্ছা পূর্ণ হইল না । মন্দির প্রস্তুত হইতে ন হইতেই রাজা মৃত্যুমুখে পতিত হন ও এই ভগ্নগৃহেই তার সমাধি হয়। এই সমাধি মন্দির অসম্পূর্ণ অবস্থাতেই এক্ষণে দৃষ্ট হয়। ইহার নাম “আলিরোজা।” কিন্তু মৃতহস্তীরও দাম লাখ টাকা ; সেইরূপ ইহার ভগ্নমূৰ্ত্তিও চমৎকার ব্যাপার। ইমারত সম্পূর্ণ হইলে ইহা সত্য সত্যই গোলগুম্বজকে অতিক্রম করিয়া উঠিত—আলিও মনের সাধ মিটাইয়া মুখে মৃত্যুশয্যায় বিশ্রাম করিতে পারিতেন । ইঙ্গর উত্তরে মক্কা ফটক হইতে কেল্লার পথ দুটি গোর মন্দিরে অলঙ্কৃত, তাহাদের পরম্পর সান্নিধ্যবশতঃ ‘যমক বোন’ নাম হইয়াছে। দ্বিতীয় আলীর সচিবপ্রধান খাওয়াস থা ও তাহার গুরু আবদুল খাদির এই দুই মন্দিরে শয়ান রহিয়াছেন। ইহাদের গোরগুলি ভিত্তি প্রস্তরের মধ্যে প্রচ্ছন্ন, গম্বুজগৃহ যেন বাসস্থানের জন্ত নিৰ্ম্মিত বোধ হয়। বস্তুতঃ ইহার একটি গম্বুজ বাসগৃহে পরিণত হইয়াছে, শ্মশানভূমির উপরে জীবন্ত মনুষ্য বাস করিতেছে। যমকের অনতিদূরে প্রাচীরবেষ্টিত একটি উষ্ঠানের মধ্যে ঔরঙ্গজীবের মহিষীর গোরস্থান । এই গোরের শ্বেতপাষাণ দিল্লী হইতে আনীত হয়, এরূপ প্রস্তর বিজাপুর অঞ্চলে পাওয়া যায় না। কেহ কেহ বলেন ইহা সম্রাটের কস্তার গোরস্থান। এই সম্বন্ধে প্রবাদ এই যে, শিবাজী রাজার দিল্লী প্রবাসকালে রাজকুমারী তাহার প্রেমে মুগ্ধ হন। শিবাজী মুসলমানধৰ্ম্ম স্বীকার করিলে তাহার সহিত কস্তার বিবাহ দিতে বাদসাহের কোন আপত্তি ছিল না কিন্তু শিবাজী তাহাতে সম্মত হইলেন না। রাজকুমারীর পাণিগ্রহণে অনেকে উৎসুক ছিল কিন্তু তিনি সেই অবধি আর বিবাহ করেন নাই। অবিবাহিত অবস্থাতেই তার মৃত্যু হয় এবং বিজাপুর বিজয়ের তিন বৎসর পরে ঐ স্থানেই তিনি সমাধিস্থ হন। - গোরস্থান ভিন্ন মসজিদ অট্টালিকা অনেকশনেক আছে--কতক ভাল কতক বা ভগ্নাবস্থায়, প্রাচীনের এই স্মৃতিচিহ্ন সকল যেখানে সেখানে পড়িয়া আছে। গোরের মধ্যে যেমন গোলগুম্বজ, মসজিদের প্রধান তেমনি জুম্মা মসজিদ। দক্ষিণাত্যে জুম্মা মসজিদের মত সুন্দর মসজিদ প্রায় দেখা যায় না। লালিত্য, শিল্পকৌশল ও কাৰ্য্যকারিতা ইহা সৰ্ব্বপ্রকারেই প্রশংসাই ! এ মসজিদ একজনের রচনা নহে । প্রথম আলি আদিল সা হইতে ঔরঙ্গজীব পর্য্যন্ত নৃপতিগণের হস্তচিহ্ন সকল ইহাতে ত্বমান। প্রধান দ্বার দিয়া চতুষ্কোণ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করিয়া দেখিবে তিন দিকে মসজিদের গৃহাবলী, প্রাঙ্গণের মধ্যভাগে একটি শুষ্ক ফোয়ার। মসজিদের খিলান, স্তম্ভনর BBBB BBSBBB BBBSSSBBBB BBBB SBBBBS BBB BBBBDDS DDD