পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/১৯৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৫০ আমার বোম্বাই প্রবাস মেজের উপর এক একজন উপাসকের বসিবার আঁচড়কাটা আসন আছে, সে সকল গণনা করিলে দেখা যায় ইহাতে প্রায় ৪. উপাসকমণ্ডলীর বসিবার স্থান সঙ্কলন হয়। মেহরাবে কতকগুলি শিলা লেখ আছে, তাহার চারিটি বচন দিওয়ান হাফেজের গ্রন্থ হইতে সংগৃহীত ; অবশিষ্ট দুইটি লেখ হইতে জানা যায় যে, স্থলতান মাহমুদের আদেশে তাহার ভূত্য মালিক কাফুর কর্তৃক ১০৪৭ (১৬৩৬) অব্দে এই মেহরাব নিৰ্ম্মিত ও অলঙ্কত । আর একটি মসজিদ কারুকার্য্যের জন্য বিখ্যাত—তাঙ্গৰ নাম “মেহতর মহল” । ইহার কারুকার্য্য বাস্তবিকই প্রশংসনীয়। দোতলার ছাদ এক অদ্ভুত ব্যাপার। উহ সমতল ও কড়িকাঠের উপর অবলম্বিত। কড়িকাঠ বলা ঠিক হয় না, কেননা উহ। প্রস্তরময়। এই সকল পাথরের কড়িকাঠ যে কিসের উপর নির্ভর করিয়া আছে তাহ বোঝা যায় না। পৃথিবী বাস্থকীর পৃষ্ঠে—বাস্তুকির আশ্রয় কে ? মেহতর মহলের छ्ॉम সম্বন্ধেও এই প্রন্থেলিক,—ইংরাজ এঞ্জিনিয়রদেরও ধাদা লাগিয়া যায়। এই গৃহের শিল্পকাৰ্য্য যে দেখে সেই মোহিত হয়। পাথরের উপর ফল ফুল প্রভৃতি নানারকম নক্স। ফরগসন সাহেব বলেন যে, অলঙ্কার ও শিল্পচাতুৰ্য্যে এই বাড়িটি মিশরের কায়রোর কোন বাড়ীর নিকট হার মানে না । बार्क ८कल्लाब भधाडांटश आनग भश्लब नग्निरुझे मक मगछिन । भक्कांग्र cष भनछिन আছে তাহার আদর্শে নিৰ্ম্মিত বলিয়া ঐ নাম। ইহা বেশ একটি সুন্দর ছোটখাট মসজিদ, ঠিক যেন একটি খেলানার জিনিস। ইহার ভজনকোষ্ঠ বিচিত্র সুন্দর রূপে খোদিত ও অলঙ্কত এবং মসজিদটি উন্নত প্রাকারে পরিবেষ্টিত। প্রাসাদের মধ্যে ‘আসার মহল অপেক্ষাকৃত অক্ষত অবস্থায় দৃষ্ট হয়। ইহা মুলতান মাহমুদের রচিত। প্রথমে ইহা আদালতের জন্ত নিৰ্ম্মিত হয় বলিয়৷ ইহার নাম ‘আদালত মহল অথবা ‘দাদমহল ছিল। আচ্ছাদিত সেতুবন্ধনে ইহা রাজবাড়ীর সহিত সংযুক্ত ছিল, পরে এক নূতন আদালত প্রস্তুত হইলে ইহার নাম পরিবর্তন ও ইহা কাৰ্য্যাস্তরে নিয়োজিত হয়। মহম্মদের শ্মশ্রীর দুইটি কেশ ইহার ভাণ্ডারজাত হওয়াতে ইহার পদোন্নতি হইয়াছে। অন্তান্ত ইমারতের স্তায় এই পবিত্র নিকেতনের উপর বিশেষ কোন উপদ্রব ঘটে নাই, মহম্মদের শ্বশ্রীর প্রসাদে সে অনেক বিরধিপত্তি হইতে উদ্ধার পাইয়াছে। আসার মহল চতুষ্কোণাকৃতি, ১৩৫ ফুট প্রস্থ দ্বিতলগৃহ। দ্বিতীয় তলের একটি ঘরে মহম্মদের শ্মশ্র রাখা হইয়াছে। এই ঘর প্রায়ই বন্ধ থাকে, বার্ষিক উৎসবে ভক্তদের দর্শন জন্ত কেবল একবারমাত্র খোলা হয়—আর কতকগুলি ঘর কার্পেট, বিছানা, চীনের বাসন প্রভৃতি পুরাণে সামগ্ৰী সকলের ভাণ্ডার ঘর। এই