পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/২৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমার বোম্বাই প্রবাস ১৯৯ ংসার ” বাস্তবিক, এ ভিন্ন তিনি অপর কোন সংসার কখনো করেন নি। কোন একটি বন্ধুর ছোট ছেলেব মৃত্যু হওয়ায় বড় ছেলেটিকে তার বাপ মা সিবিল সৰ্ব্বিস ছাড়িয়ে কাছে রাপবার জন্য ব্যস্ত শুনে গোবিন্দ বলেছিলেন, “এ আবার কি পাগলামি । ছেলে ত মামুষের গিয়েই থাকে ।” তার পর যখন তাকে বুঝানো হল যে তার গরু বাছুরের মধ্যে সবে ধন-নীলমণি একটি বাছুর যদি মারা যায় তার কি রকম কষ্ট হয়, তখন তিনি পুত্ৰশোকের মৰ্ম্ম কতকটা উপলব্ধি করতে পারলেন । আমাদের কাছে তিনি মধ্যে মধ্যে এসে থাকতেন, বিশেষতঃ কোন স্বাস্থ্যকর পাহাড়ে হাওয়া বদল করতে যাবার সময় সানন্দে সঙ্গ ধরতেন । এইরূপে একবার সিমল পাহাড়ে অবস্থানকালে তার গ!ল রক্তবর্ণ হয়েছিল। তার গাল লাল হয়েছে বলে তার মহা ভাবনা উপস্থিত এবং আয়নায় মুখ দেখে আমাদের গাল দেখিয়ে ক্রমাগত বলতেন “I say why are my chceks so red"– Ģir sffr açõi sigterst för i silnąt র্তার সঙ্গে ইংরাজিতেই বাক্যালাপ করতেম, আর আমাদের বাঙ্গলা কথা শুনে তিনি SDB BBBS BB BBS BBBBBS BBBB BB BBS BB BB BBBB BBBS বেঁটেখাটে। সুন্দর মানুষটি, হাট কোট পরে, লাঠিটি দুই হাত দিয়ে আড়াভাবে কোমরের পিছনে এটে ধবে যখন আমাদের সঙ্গে বেড়াতে পেরতেন, তখন পাহাড়ে রাস্তায় বদরগুলি দেখে তাদের সঙ্গেই আলাপে প্রবৃত্ত হতেন—“আরে, কায়সা হয়, তবিয়ৎ অচ্ছি হায়” ইত্যাদি । না হয় একলাই অগ্রসর হয়ে মাথা নীচু করে অন্তমনস্কভাবে ব’কে যেতেন—কখনো সেকালের কোন নামজাদ সাহেবের গালভরা নাম, যথা—Sir Alexander Cobum fTs fNTETR 5|INA K5= {Rts "i owe every thing I have in this world to Mr. Tucker.” GiĚ GI GEfst Hitza šis īsziTI FIRছিলেন, সে কথা তিনি জীবনে ভোলেন নি, এবং চিরকাল তার প্রতি মনে মনে কৃতজ্ঞতা পোষণ করেছেন। এ বড় সাধারণ সদগুণ নয়। র্তার টাকা শোধ করে দিয়েছেন, শুধু তা নয় তাছাড়া টকারের ছেলেমেয়ে যার যখন কোন টাকার দরকার, জানবামাত্র অকাতরে তাছাদের সাহায্য করেছেন। এরূপ যাবজ্জীবন আন্তরিক কৃতজ্ঞতার দৃষ্টান্ত আজকালকার দিনে বিরল। পাওনাদার ঋণের কথা স্মরণ করিয়ে দিলে উণ্টে তার উপরেই ঋণীর তম্বী, উপকারের প্রত্যুপকার অনেকস্থলে এইরূপই দেখা যায়। বিদ্যাসাগর মহাশয়ের উপর কেউ কোনরূপ অসদ্ব্যবহার করলে তিনি বলতেন, “কৈ, আমি ত ওর কখনো কোন উপকার করেছি বলে মনে পড়ে না, তবে আমার পরে চটেছে কেন ?” গোবিনা কড়কড়ের জীবন, মন, ধরণ ধারণ সবই একটু অসাধারণ। তার মজার