পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/৩০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অামার বোম্বাই প্রবাস * २२* মহলাররাও ১৬৯৩—১৭৬৯ একদিন মধ্যাহ্নে মাঠের মধ্যে নিদিত আছেন, এমন সময় এক বৃহং অজগর সপ তাহার মুখের উপর আতপত্ররূপে ফণী ধরিয়া থাকে। এই শুভলক্ষণ দৃষ্ট্রে উৎসাহিত হইয়া তিনি অন্ত চাকরীর চেষ্টা দেখিতে লাগিলেন। প্রথমে তিনি একজন মারাঠা সর্দারের নিকট ঘো সোয়ারের কৰ্ম্ম পান । এই সময় হইতে র্তাহার ভাগ্য ফিরিল। ১৭২৪ সালে বাজিরাও পেশওয়ার অধীনে ৫০০ অশ্বের অশ্বপতি পদে নিযুক্ত হইয়া, ক্রমে উচ্চ হইতে উচ্চতর পদে আরোহণ ও বিস্তর ভূমি সম্পত্তি উপার্জন করেন। ১৭৩২ সালে তিনি পেশওয়ার প্রধান সেনাপতিরূপে মালবের মোগল প্রতিনিধিকে যুদ্ধে পরাভব করেন। ১৭৫০ খৃঃ অব্দে মালব বিজয়াস্তর সিন্দে ও হোলকর তাহা আধাআধি ভাগ করিয়া লন, তাহাতে প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা মুনাফার প্রদেশে তাহার অধিকার বিস্তৃত হয়। এইরূপে তাহার রাজ্য ও বল বৃদ্ধি হইতে লাগিল এবং ইন্দোর তাহার রাজধানী হইয়া দাড়াইল । পাণিপতের যুদ্ধে যে অল্প কয়েকজন মারাঠী বীর ভালয় ভালয় দেশে । ফিরিয়া আসিয়াছিলেন, মহলাররাও তাহদের মধ্যে একজন । তিনি ঐ যুদ্ধে বড় একটা যোগ দেন নাই--তাহার কারণ এইরূপ রাষ্ট্র যে, এই যুদ্ধে তিনি যেরূপ পরামর্শ দেন মারাঠী সেনাপতি সদাশিব ভাউ “গয়লার কথা কে মানে” এই বলিয়া সে পরামর্শ অগ্রাহ করেন । র্তাহার পরামর্শ এই—পাঠানদের সহিত সন্মুখ যুদ্ধে প্রবৃত্ত DS DBB BBBBB DBBBB BBB BBBB BBBB BBSSBB BBBBS BBBB তাহাদের দমন করা—পলায়নচ্ছলে অরিদল আকর্ষণ করিয়া অবসর বুঝিয় তাহাদের উপর হল্লা করা ; “ত্বরায় অনর্থ, বিলম্বে কার্যসিদ্ধি” এই তাহার উপদেশ। এই সুপরামর্শ অগ্রাহ করিয়া সেনাপতি তাড়াতাড়ি রণে মাতিয়া গেলেন, শীঘ্রই তাহার বিষম ফলভোগও করিলেন। পাণিপতের যুদ্ধের পর মহলাররাও মধ্যহিন্দুস্থানে স্বরাজ্যের ব্যবস্থা ও শৃঙ্খলাবন্ধনে কতিপয় বৎসর অতিবাহিত করেন—তাহার তাহাতে সম্যকৃ সিদ্ধিলাভ হইয়াছিল। কেননা মহলাররাও উদারচেতা, বিনয়ী অথচ দৃঢ়মতি, অশেষ গুণসম্পন্ন নরপতি ছিলেন। রণে যেরূপ সাহস ও বীরত্ব, রাজ্যশাসনেও সেইরূপ র্তাহার অসাধারণ ক্ষমতা ছিল । ৭৬ বৎসর বয়সে র্তাহার মৃত্যু হয় । অহল্যাবাই মহলাররাওয়ের পুত্র খণ্ডেরাও পিতার আগেই মরণ প্রাপ্ত হন, উtহার দেীর মালিরাও তাছার উত্তরাধিকারী। মালিরাও মিৰ্ব্বদ্ধি ক্ষিপ্তপ্রায় ছিলেন, অধিককাল রাজ্য ভোগ করিতে পারেন নাই। মালিরাওয়ের মৃত্যুর পর তাহার মাতা খ্যাতনাম