পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


vo o আমার বাল্যকথা কৃষ্ণের বিরহে । কৃষ্ণ গেছে গোষ্ঠ ছড়ি রাষ্ট্র পথে হাটে শুদ্ধমুখ রাধিকার দুষ্কে বুক ফাটে । আনন্দের বৃন্দাবন আজি অন্ধকার, গুঞ্জরে না ভৃঙ্গকুল কুঞ্জবনে আর | কদম্বের তলে যায়,বংশী গড়গড়ি, উপুড় হইয়া ডিঙ্গা পঙ্কে আছে পড়ি ॥ কালিন্দীর কুলে বসে কাদে গোপনারী, তরঙ্গিণ তরাইবে কে আর কণ্ডেরী ॥ আর কি সে মনোচের দেখা দিবে চক্ষে, সিন্ধি কাঠি খুয়ে গেছে বিস্কাইয়া বক্ষে ॥ এত বলি হাহু করে বাপ তার মেছে । সবারই সমান দশা কোর কারে পোছে ৷ মুখ-হস্তের অভিন্নত । মুখে হাতে ভেদ নাই সাক্ষী তার তিন । ভুজঙ্গ বিহঙ্গ আর মাতঙ্গ প্রবীণ ॥ ভুজঙ্গের মুখখানি ( বর্জয় দত ) কি সুন্দর মনোহর সুকোমল হাত ৷ সাপুড়ের তুৰ্ম্মি যবে বাজে ঘুরি ঘুরি। কেমন ঘুরায় হাত গোপুর গোপুরী ৷ হাতের কয়দা দেখি সবে বলে “বা জী !" শেখ্য{গু করিতে কিন্তু কেহ নহে রাজী ॥ বিহঙ্গের চঞ্চুহাত কম নহে বড় । ছল-কলা ন জালুক কাজে খুব দড় ॥ কেউটে গোখুঃ আদি মহা মই। ফণী, সারসের চঞ্চুহাতে ধে7ড় যায় বনি। হস্তীর হস্তটি এ যে মুখেরই লেজুড়, জানেন। অবোধ লোকে তাই বলে শুড় । খগে লগে সাক্ষী মালি লেখে তাই শাস্ত্রে – ভের্দ নাই মুখে হাতে, দর্শনে নথাস্ত্রে ।