পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩২ আমার বাল্যকথা শিষ্যটিরে কাছে ডাকি সস্তুষিয় মিষ্ট সারস্বত যোগীসনে হ’য়ে উপবিষ্টলেখনী করিখ হতে সাজিবে লেখক, শিষ্যটি হইবে আর উত্তর সাধক ৷ আউড়িবে সে ধীরে ধীরে সমীচীর পত্র । তুলিতে থাকিলে তুমি ছত্র পিছু ছত্র । ছিট ফোট দিবে না রেখাই যাবে টানি । সঙ্গ গুণে তfর যাবে অঙ্গ হীন বাণী ॥ রেখার পোকামাকড় কৃমি বিটকল, উচ্চিংড়ি ফড়িং পিপড়া পালে পাল, ক্ষান্ত হোক রোগে আগে করি কিলিবিলি ; ধীরে সুস্থে কোবে৷:শেষে ফুটকুনি বিলি । এক মেটে করিয়া করিবে কাজ ফুভে । দে{ মেটে করিবে শেষে অবকাশ-মতে ॥ সিদ্ধিলাভ । প্রথমে প্রথম খণ্ডে পাকাইবে হাত । দ্বিতীয় খণ্ডের তবে উলটিবে পীত। মস্তকে মথিয় লয়ে পুস্তকের সার । হস্তকে করিবে তার তুরুক সোয়ার । হইবে লেখনী ঘোড়-দেtউড়ের ঘোড় । আগে কিন্তু পাকা করি বঁধ চাই গোড় ॥ t বড়দাদ গদ্যেও প্রবন্ধাদি অনেক লিখেছেন কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, সে সমস্ত একস্থানে পুস্তকাকারে মুদ্রিত হয় নাই। র্তার গদ্য-লেখা সামান্ততঃ দুষ্ট ভাগে বিভক্ত করা যেতে পারে—দার্শনিক ও সামাজিক । তার সর্বপ্রথম দার্শনিক প্রবন্ধ ‘তত্ত্ব-বিদ্যা' গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় কিন্তু সে অনেককালের কথা, গ্রন্থখানি এখন পাওয়া যায় কি ন সন্দেহ। সম্প্রতি কয়েকমাস ধরে ‘গীতাপাঠ’ নামক যে প্রবন্ধগুলি ‘প্রবাসী মাসিকপত্রিকায় আমরা ঔৎসুক্যসহকারে পাঠ করেছি—গীতাশাস্ত্রের এই যে অপূৰ্ব্ব মৌলিক ব্যাখ্যা—এটি সম্পূর্ণ অবয়বে যখন বেরবে, তখন ইহা গীতাধ্যায়ীদের পরম আদরের সামগ্রী হবে সন্দেহ নাই । ‘তত্ত্ব-বিদ্যা’ হ’তে আরম্ভ করে এই ‘গীতাপাঠ যদি সমাপ্তির মধ্যে গণ্য করা যায়—এই দুইয়ের মাঝখানে বড়দাদার