পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


《心 আমার বাল্যকথা একবার পরীক্ষা দেবার সময় কোন ছাত্র তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল—মশায় এই বইটার কোন কোন অংশ ভাল করে দেখে রাখা চাই, আমাকে বলে দিন । উত্তর-( খানিকক্ষণ চিস্তা করিয়া ) * Mark the first page Mark the second page || বলতে বলতে বইটার কোন ভাগই বাদ গেল না, সে বেচার ‘ছেড়ে দে ম৷ কেঁদে বাচি’ বলে প্রস্থান করলে। রামমিত্রের নামে অনেক গল্প আছে, আর কত বলব। কেশবচন্দ্র তার নকল করতে বিলক্ষণ পটু ছিলেন। কেশববাবু রামমিত্রের সম্বন্ধে একটি গল্প বলতেন, সেট হচ্ছে এই – একদিন রামমিত্র ছেলেদের বটানিকাল গার্ডেনে বেড়াতে নিয়ে গেছেন। বাগানের মধ্যে যে একটা গাছের ঘর আছে সেইখানে তার দলবল নিয়ে তিনি যেমন প্রবেশ করেছেন—অমনি সেখানে উপস্থিত একটা রুক্ষ্ম মেজারের ইংরাজ রেগে তাকে সম্ভাষণ **Co-"Who the devil are you ?” sofa $15 go acăa-“Professor Ram Chandra Mittra, Professor Presidency College—” উত্তর হ’ল—‘D—your Professor” তখন তিনি ছেলেদের নিয়ে বাইরে এসে áí* CEZg x(3* —“Let us forget and forgive, let us exercise the Christian virtue of forgiveness.” আমরা সকলে একবার সিংহলে ব্যাড়াতে গিয়েছিলুম। ষ্টীমারে আমাদের সঙ্গে ছিলেন কেশববাবু আর কালিকমল গাঙ্গুলী বলে একটি আমুদে মজলিসী লোক,— ‘কোলাই কোমল গাম্বুলাই’ বলে আপনার পরিচয় দিতেন । সমুদের উপরে রামমিত্রের গল্প আমাদের এক প্রধান থোরাক ছিল । সে সব কথা শুনে হাসতে হাসতে আমাদের নাড়ী ছিড়ে যেত । ‘কোলাই কোমল’ শেষে আমাদের ভারি মুস্কিলে ফেলেছিলেন। দেশে ফেরবার সময় তিনি কি একটা কাজের ছুতে করে বোটে উঠে ডাঙ্গায় নেমে গেলেন । এই আসছি বলে কোথায় যে অন্তৰ্দ্ধান হ’লেন তার আর কোন সন্ধান পাওয়া গেল না। তাকে ছেড়ে ষ্টীমার চলে গেল। তার এক সপ্তাহ পরে তবে কলকাতায় আবার তার দেখা পাই । $