পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমার বাল্যকথা శ్రీ లి আরাধনায় মগ্ন থেকে তারা আর উচ্চতব সাধনাব সময় পান না । যে সকল লোক এক সময়ে দেবেন্দ্রসভার অন্তরঙ্গ ছিলেন তাদের দু চারজনের কথা বল্লেই যথেষ্ট হবে । বৈকুণ্ঠনাথ দত্ত –ছোট্ট মনুষটি কিন্তু তার ব্যবসাবুদ্ধি তীক্ষ ছিল । তার মাথায় কতরকম speculation খেলত কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে কিছুতেই সাফল্যলাভ করতে পারতেন না । আজি চায়ের ব্যবসা, কাল বই, পরশু কাপড়-—তাব কথা শুনলে মনে হ’ত এবার বুঝি সোনার কাটি হাতে পেয়েছেন – যাতে ছোয়াবেন সোনা ফলবে। শেষে দেখা যেতো কোনটাতেই তবে মনোমত ফললাভ হ’ল না। আর এক ছিলেন রাজা কালীকুমার ; জাতিতে স্বর্ণবণিক, হৃষ্টপুষ্ট, শুচিবাইগ্রস্ত লোক, যিনি সন্দেশ ঘুরে পেতেন। তিনি পারস্ত সাহিত্যেব অনুবাগী ছিলেন--তার সহচর একটি মুসলমান যুবক সঙ্গে সঙ্গে ফিরত । র্তার ফাবলী বয়েৎ আওড়ানে মনে পড়ে—একটি স্তোত্ৰ মনে আছে, তা এই – છું জীন পাক-অয় সৰ্ব্বদ বে অব থাক, অয়ি নাজনি ( তুমি প্রাণ, পবিত্ৰ সৰ্ব্বশঃ, না আপ মাটি, হে প্রিয়তম ) दल्ली ཙཧཱ-ཚེt হস্পকিতর রূহে ফদাক্ অয়ি নাজ नि ( ও আল্লা প্রাণ হ’তও পবিত্রতর আত্মায় লীন হে প্রিয়তম ) তুমি প্রাণ, তুমি ওহে পূর্ণ পুণ্যময়, প্রপঞ্চ অতীত তুমি, ওহে প্রিয়তম। প্রাণ হ’ত পুণ্যতর তুমি হে মহেশ, একস্থা তুমি ও আমি ওহে প্রিয়তম । বড়দাদ রাজার নাম রেখেছিলেন সম্ভোগ বিলাস।” সস্তেীগ বিলাস নামে মাংসের ঢিবি মধেী শিবে মেড়ে আর গুড়গুড়ি জীবী । নবীনচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় নবীনবাবু ছিলেন দেবেন্দ্রসভার বিদূষক । তিনি আমাদের সকলকে নিয়ে খুব হান্ত পরিহাস করতেন। আমাকে ডাকতেন ‘পক্ষী’ বলে । তিনি কখনো কখনো আমাদের কোন মিষ্টান্নের ভাগ দিয়ে বলতেন— অৰ্দ্ধ রুটি যদি থtয় ঈশ্বরের জন তাহার অৰ্দ্ধেক করে অন্যে বিতরণ }