পাতা:আমার বাল্যকথা ও আমার বোম্বাই প্রবাস.pdf/৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমার বাল্যকথ৷ অক্ষয়বাবুব শেষ জীবনের কথা শাস্ত্রীমশায়ের বই থেকে এইখানে বলে এ ভাগ শেষ করি— “ইহার পবেও অক্ষয়বাবু কয়েক বৎসর কার্য্যক্ষেত্রে দণ্ডায়মান ছিলেন। মধ্যে নম্মাল বিদ্যালয় স্থাপিত হইলে কিছুদিনেব জষ্ঠ তাহাব শিক্ষকতা কবিয়াছিলেন বটে, কিন্তু প্রিয় তত্ত্ববোধিনীর সংস্রব একেবারে পরিত্যাগ করেন নাই। অবশেষে ১৮৫৬ সালের অষাঢ় মাসে সন্ধ্যার পবে একদিন ব্রাহ্মসমাজের উপাসনাতে উপস্থিত আছেন, এমন সময়ে হঠাৎ মূচ্ছিত হইয়া পড়িয়া যান। তখন অনেক যত্নে তাহার চৈতন্য সম্পাদন হইল বটে, কিন্তু দুই দিবস পবে একদিন তত্ত্ববোধিনীব প্রবন্ধ লিপিতেছেন, এমন সময়ে মস্তিষ্কে এক প্রকাব অভূতপূৰ্ব্ব জালা হইয়া লেখনী ত্যাগ করিতে হইল। তদবধি সে লেখনী অর্ণব ধারণ কবিতে পারেন নাই ।” "ইহার পবে এক প্রকার জীবনমৃত অবস্থাতে থাকিয়াও তিনি অনেক গ্রন্থ প্রচার BBBBB S BBB BS BBB SBBBBB BBBB BBBBS BBB BBBB B পাণ্ডিত্যপূর্ণ গ্রন্থ এই অবস্থাতেই সঙ্কলিত। তাহাব মুখে শুনিয়াছি, তিনি প্রাতঃকালে সুস্নিগ্ধ সময়ে শয্যাতে শয়ন করিয়া কোন দিন এক ঘণ্টা, কোন দিন দেড় ঘণ্ট করিয়া মুখে মুখে বলিতেন, এবং কেহ লিপিয়া যাইত ; এইরূপ করিয়া এই মহাগ্রন্থ সঙ্কলিত হইয়াছিল ।” ধন্ত তার ধৈর্য্য ও অধ্যবসায় ! এই গ্ৰন্থখানি অক্ষয়কুমাবের অক্ষয় কীর্তিরূপে বঙ্গ-সাহিত্য সমাজে চিরদিন বিরাজমান থাকিবে । এইরূপে যখন তিনি শিরঃপীড়ায় অবসন্ন হয়ে পড়লেন, তখন তার সঙ্গে আমি কাশীপুবে গঙ্গার ধারেব এক বাগানে মাস দুই কাটিয়েছিলুম। কি পরিবর্তন ! আগেকার সেদিন আব নাই, সে স্মৃত্তি, সে উৎসাহ নিৰ্বাপিত হয়েছে—সে অক্ষয় আর নাই। শরীরে তৈল মর্দন, ওজন করে ঔষধ সেবন, মাপ জোক করে আহারের ব্যবস্থা—এই প্রকাব শরীর সেবাতেই দিনযাপন করতেন। সেই প্রখর জ্ঞানোজন চিত্ত সংশয় অন্ধকারে আচ্ছন্ন । “জীবনের অবসানকালে তিনি বালিগ্রামের গঙ্গাতীরবর্তী এক উদ্যান-বাটতে থাকিয়া এইরূপে গ্রন্থ রচনা করিতেন ; এবং অবশিষ্ট কাল উদ্ভিদতত্ত্বের আলোচনা ও সমাগত ব্যক্তিদিগের সহিত জ্ঞানানুশীলনে কাটাইতেন। সেখানে ১৮৮৬ সালের ১৫ই জ্যৈষ্ঠে র্তাহার দেহান্ত হয়।” ২০৭–২০৮ পৃ; দেবেন্দ্রসভার সভাসদ আরো অনেক ছিলেন, তাদের কথা বলবার আর প্রয়োজন নাই। একবার আমরা বাবামশায়ের সঙ্গে এই সব দলবল নিয়ে বরাহনগরের