পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


व्दोवष्>ठ तरं?Jा°ादJाश নবীনবাবু ছিলেন দেবেন্দ্ৰসভার বিদূষক। তিনি আমাদের সকলকে নিয়ে খুব হাস্য পরিহাস করতেন। আমাকে ডাকতেন “পক্ষী’ বলে । তিনি কখনো কখনো আমাদের কোন মিষ্টান্নোর ভাগ দিয়ে বলতেন অর্ধ রুটি যদি খায় ঈশ্বরের জন তাহার অর্ধেক করে অন্যে বিতরণ । কত পাগলামী ছড়া আওড়াতেন। সব মনে নেই। দু-একটা বলি 55 দুই সাপ-এই কালীয়দমনের দুই সর্দার রাম ও শ্যাম ধন্য ধন্য রাম শ্যাম তোমাদের কার্য তোমাদের কার্য সকলের অনিবাৰ্য যখন তোমরা গিয়া চড় যার ঘাড়ে অজসা গরসা আদি সবে তারে ছাড়ে । অজস গরসা যেন ছাড়ল, এখন রামশুষ্ঠামের হাত থেকে রক্ষা করে কে ? সাপ ও বেঙের কথোপকথন সাপ-“জিহবা লিড়ি বিড়ি সিড়ি কিচড়ি মিচড়ি করি কুপ-” (আমি যদি কুপ করে তোকে খেয়ে ফেলি ?) ব্যাঙ—“হম যদি পানিমে ডুব গয়া ভুসম ভুসড়ি খায়া গুজড়ি মুজারি করি গুপ-” (আমি যদি গুপ করে জলে ডুবে যাই ?) নবীনবাবু চার রকম ভিন্ন প্ৰকৃতি লোকের কথা বলতেনবেগবেগা, বেগচেরা, চেরবেগ, চেরচের, । স্মরণশক্তির তারতম্যে এই চার রকম লোক হয় ।