পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১০৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


૨ আমিষ ও নিরামিষ আহার। পরিবারের মহিলারা যত্ন পূৰ্ব্বক রাধিলে যেমন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অথচ সুস্বাদু খাবারটা পাওয়া যাইবে, বেতন-ভোগী সীমান্য পাচকের হস্তে সেরূপ আশা করা বিড়ম্বন মাত্র । তাহারা বেতন লইতেছে আর কাজ করিতেছে। তাহীদের মূলগত চেষ্ট, কিসে যেমন তেমন করিয়া চট্‌পট্‌ কাজটা সারিয়া যাইতে পারে। ভাল মন্দ তাহীদের ভাবিবার অবকাশ থাকে না । ভীতে চুল, ডালে কয়লার গুড়া ; চড়চড়ীতে ল কুন, না ঝাল, না তেল, তাহা এক রকম ছেচকীপোড়া করিয়া যেমন তেমন রাধিয়া দিয়া যাইতে পারিলেই হইল। এই রকম রান্না খাইলে মুখের রুচিও হয় না শরীরও অসুস্থ হয়। কিন্তু গৃহের মহিলারা স্বহস্তে রাধিলে যেমন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জিনিষটা হয়, তেমনি রুচিকরও হয়। আর অপেক্ষাকৃত অল্প ব্যয়েঞ্জ হইয়া থাকে। তবে ৰেতন দিয়া পাচক রাখিলেই কি মন্দ রান্না হইতেই হইবে ? তাহার কোন অর্থ নাই। প্রয়োজন মত পাচক না রাখিলেও সকল সময়ে চলে না। কিন্তু গৃহকত্রীর রন্ধম বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকা চাই, যাহাতে রন্ধন বিষয়ক ক্ষুদ্রবৃহৎ প্রত্যেক অংশট তাছার চক্ষু এড়াইয়া যাইতে না পারে । গৃহ কার্য্যের প্রত্যেকট গৃহকত্রীল তন্ন তন্ন করিয়া তত্ত্বাবধারণ করিতে হইবে । তাহ শই সুফলের আশা করা যাইতে পারে। অনেকে ভাবেন রন্ধন ব্যাপার কোন কৰ্ম্মেরই নয়। রাধিতে গেলে শুদ্ধ ওখ শারীরিক পরিশ্রমে শরীর সবল থাকে তাহ নয়, রীতিমত শিক্ষাও হয়। ভাবিয়া দেখ এক এক বড় বড় স্থাড়ি তোলাঁ কি সহজ ব্যাপার। ইহাতে বাস্তবিক অনেক বলের আবশ্যক। এবং নিজে রাধিয়া সকলকে পরিতৃপ্ত করিতে পারিলে দেহ, মন, আত্মা কতনা পবিত্র ও