পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রথম আধ্যায় { ›ፃ আসিতেছে, তখন আবার কিছু কয়লা দিবে ; তা না হইলে । একেবারে উন্নান নিবিয়া যাইবে। যখন দেখিবে উনানের আঁচ হইতেছে না, তখন বুঝিবে ঝাঝরি ছাইয়ে বদ্ধ হইয়া গিয়াছে ; একটা ভাঙ্গ বেড়া কিম্বা একটা লোহার শিক উনানের নীচের ফাকের ভিতরে ঢুকাইয়। ঝর্ণঝরির তলায় খোচাইতে হইবে, তাহা হইলেই সব ছাইগুলো ঝাঝরির ফাক দিয়া নীচে পড়িয়া যাইবে । (এ সময়ে উনানের উপরে কি পাশ্বে যে সকল খাবার থাকিবে তাহ ঢাকিয় রাখিতে হইবে, তাহা না হইলে ছাই উড়িয়া খাবারে পড়িবে) ছাই ঝাড়িয়া বা তাস দিলেই উনানের বেশ আঁচ হইবে। আশুনের আঁচ তিন প্রকার-তেজ আঁচ, মধ্যম আঁচ, এবং নরম আঁচ । খুব জলস্ত আঁচকে তেজ আঁচ বলে । তেজ আঁচ ও নরম আঁচের মাঝামাঝি আঁচকে মধ্যম তাচ বলা যায় । একেবারে নরম আঁচ করিতে হইলে ছাই চাপা দিয়া করিতে হয় । সচরাচর কাঠের কয়লা নরম আঁচের সময়ে ব্যবহার করা হয় । এই নরম আঁচের অনেক নাম-নরম অাচ, গুমে আঁচ, দমে অাচ, নিবন্ত অাচ, মিঠা আঁচ । কাঠের কয়লা ধরাইতে বিশেষ কষ্ট হয় না, দুইটা জলন্ত অঙ্গার ফেলিয়া দিয়া বা তাস করিলেই সহজে ধরিয়া যায় ; অথবা দেয়াশেলাই কাঠি জালিয়া তাহার উপর দু একটা কাঠ কয়ল, তামাক খাবার টীকার মত করিয়া, ধরাইলে চটু করিয়া ধরিয়া যায়। তার পর এই কাঠকয়লা অন্য কাঠ কয়লার উপরে রাখিয়া বাতাস দিলেই আগুন ধরিয়া যাইবে । কাঠ ধরাইতে হইলেও একথান কাঠ ধরাইয়া বাতাস দিলেই সহজে ধরিয়া যায়। কাঠ কি পাথরে কয়লা অথবা কাঠের 3