পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


by অামিষ ও নিরামিষ জাহীর । কয়ল। ভিজা হইলে ধরাইতেও যেমন কষ্ট হয়, তেমনি ধেfয়াও হয় । ভিজা কাঠ কয়লা হইলে রৌদ্রে শুকাইয়া লইবে । কোন কোন খাবার রন্ধনের জন্ত ওলের আগুনও আবশ্যক হয় । উনান ধরাইবার জন্য কুট-কাটি সব রাখিয়া দিতে হয় । গুমাখের খোল, আখের গিরা, নারিকেলমালা, ডাবের থোল সব রৌদ্রে দিয়া শুকাইয়! সঞ্চিত করিয়া রাখিতে হয়, তাহা হইলে এই সব দিয়া বেশ চট্‌ করিয়া উমান ধরান যায় । শীতকালে আখটা খুব পাওয়া যায়, এই সময়ে আখের খোলা, গির প্রভৃতি ফেলিয়া না দিয়া রৌদ্রে ফেলিয়। রাখিয়া শুকাইতে দাও ; তার পরে শুকাইলে একটা কোন স্থানে যেখানে সুবিধা হয় জড় করিয়া রাখ। গ্রীষ্মকালে ডাবটা লোকে খুব খাইয়া থাকে ; ডাবের খোলা ও শুকাইয়া রাখিলে উনাল ধরাইতে কাজে লাগে । বস্তুতঃ নারিকেল গাছের কিছুই ফেলা যায় না ; নারিকেল গাছের পা হইতে মাথা পৰ্য্যন্ত সকলি গৃহের কোন না কোন কাজে লাগেই ; তাই বোধ করি আমাদের দেশে নারিকেল গাছ কাটিতে নিষেধ করে । বাদামের খোলা প্রভৃতি ও উন্ন ধরাইতে কাজে লাগে । পাথরে-কয়লার যে সব গুড়। বাচিবে সেই গুলি মেয়ের সঙ্গে মাখিয়া গোলা করিয়া করিয়া রৌদ্রে শুকাইতে দিতে হয় ; কয়লা যখন ফুরাইয়া যাইবে তখন ইহার দ্বারা কাজ চালাইতে পারা যায়। ঘুটে দিয়াও উনান ধরান যায়, আবার তাহাতে রন্ধন কার্য্যও হর । বর্ষাকালের জন্য পুৰ্ব্ব হইতে ঘুটে, কাঠের গুড়, আখের খোলা ইত্যাদি জড় করিয়া রাখা বিশেষ কৰ্ত্তব্য, তাহ চুইলে