পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२२ আমিষ ও নিরামিষ আহার । বাসন, কাসা ও পিত্তলের বাসন, এবং কালপাথর ও শ্বেতপাথরের বাসনই আহারের জন্ত ব্যবহৃত হইয়া থাকে। রূপার থালায় থাইতে দিতে হইলে ঝোল প্রভৃতি দিবার জন্ত বাটগুলিও রূপার দিতে হইবে ; যেমন থালা সেই অমুসারে বাটাও দিতে হইবে। ধখন অধিক লোক খাওয়াইতে হয় তখন কলাপাতার খাওয়ান হয়। এইরূপ পঙক্তি-ভোজনে বাটীর পরিবর্তে মাটর খুরী দেওয়া হয়। মুন, নেবু, ভাতের পাতাতেও দেওয়া যায়, অথবা ছোট ছোট কলাপাত কাটিয়া তাহাতে দিলেও দেখিতে পরিপাটী হয়। ডানধারে জলের গেলাস দিতে হইবে । কলাপাতায় ধনী দরিদ্র সকলেরই সুবিধা ; চারিশ, পাচশ লোককে একত্রে খাওয়াইতে গেলে ইহাতে যেমন সুবিধা হয় এমন আর কিছুতে নয় । আহার পরিবেশন করিবার ও লোক চাই ; পরিবেশনের সময় যেন হাতে করিয়া কোন খাদ্য সামগ্ৰী দেওয়া না হয়। হাত বা চামচ কি পাতার ঠোঙা কি বাটীতে করিয়া যেন দেওয়া श्प्रं । পঙক্তি ভোজনে গৃহস্বামী স্বয়ং ও তাহার আত্মীয় স্বজনের পরিবেশন করা আচার সন্মত। পরিবেশক বা পরিবেশি প্ৰ’ কৰ্ত্তব্য, হস্ত পদাদি ধৌত করিয়া শুদ্ধ বসনে পরিবেশন করা। আমাদের দেশে জুতা পরিয়া পরিবেশন করিবার রীতি নাই ; জুতা পরিয়া লোকে কত জায়গার ঘুরিয়া আসে, সেই জন্ত পরিবেশনের সময় জুতাটা না পরাই ভাল। কোন উৎসবের সময় যখন পঙক্তি ভোজন হয়, তখন পরিবেশন করিতে করিতে অনেক সময় হয় তো পরিবেশকের প৷