পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রথম অধ্যায় । ২৩ লাগিয়া কাহারো দয়ের খুরী উপ্টাইয় পড়িতেছে, কাছারে বা ক্ষীরের খুরী কাৎ হইয়া পড়িতেছে, হয় তো হাতে করিয়াই ভাত, তরকারী দেওয়া হইতেছে ; অনেক নিমন্ত্রিত ব্যক্তি এই সকল অপরিচ্ছন্নতা সহ করিতে পারেন না । অত্যন্ত অরুচির সহিত তাহার ভোজন করিয়া উঠিয়া যান। এই সকল কারণে পরিবেশকদিগের সাবধানে এবং সযত্নে পরিবেশন করা কর্তব্য । এ দেশের প্রথামত আহারের পরে মুখ রীতিমত কুলকুচি করিয়া ধুইবার নিয়ম ; এ নিয়মটা সৰ্ব্বতোভাবে পালনীয়। যুরোপীয় রীতিতে র্যাহার। আহার করেন, তাহাদিগের অনেকে যদিও এ সকল দেশীয় প্রথা লঙ্ঘন করেন, তথাপি ইহা আমাদিগকে শতবার স্বীকার করিতে হইবে যে ভোজনাস্তে কুলকুচি না করিয়া হাতমোছা তোয়ালেতে (টেবল ন্যাপকিন) মুখমোছা, দস্তুরোগ প্রভৃতি অনেক মুখরোগের উৎপাদক । এরূপ ঘৃণিত আচার আমরা যেন ইংরাজদের অনুকরণে আমাদের মধ্যে প্রবেশ করিতে না দিই। আহার শেষ হইলে গাড়, চিরুমচি লইয়৷ লোকদিগের সমক্ষে ভৃত্যদিগের উপস্থিত হওয়া উচিত, অথবা উঠিয়া মুখ ধুইলেও হয়। মুখ ধুইবার পর প্রত্যেকের স্বস্ব রুমালে মুখমোছা কৰ্ত্তব্য ; এক হাতমোছা কাপড়ে বা গামছায় বহুলোকের হাত মুখমোছা প্রশস্ত নর। পাশ্চাত্য ভোঁজে প্রত্যেকের জন্য পৃথক পৃথক হাতমোছা তোয়ালে টেবিলে সাজান খাকে, কিন্তু আমাদের পাত পাড়িয়া আহারে তো আর তাহ হইবার উপায় নাই। ইংরাজের বাতাসে তাহাদিগের যে সকল ধরণ ধারণ আমাদের দেশে প্রবেশ লাভ করিবার চেষ্টা করিতেছে, টেবিলে আহায় তাহার মধ্যে একটা । টেবিলে যাহারা আহার করেন,