পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায় । ද්දී) বাহির হইবে। পরমাপ্ল করিতে হইলেও আতপ চালের করাই ভাল । আগাম প্রদেশে এক প্রকার চাল আছে তাহার নাম জহ চাল । ভাল জহা চাল রাধিলে তাহার সুগন্ধে চারিদিক আমোদিত হয় । এই চাল উঞ্চ এবং আতপ দুই প্রকারই পাওয়া যায় ; তবে আতপেরই সুবাস কিছু অধিক । আসামের ভদ্রলোকের এই চালের ভাত খাইয়া থাকেন । সেখানে এই জহ আত্তপের নবান্ন হয় । চাল ধোয়। —চাল ভাল করিয়া না বাছিয়া ধুইলে ভাত পরিষ্কার হয় না । প্রথমে চালগুলি কুলায় ঝাড়িয়া লইতে হইবে, তার পরে হাতে করিয়া একটি একটি ধান, কি বালি, কাকড় যাহা থাকিবে সব বাছিয়া ফেলিবে, তার পরে চালে জল দিবে। সরু চাল তিন চারবার জল বদলাইয়া ধুইলেই বেশ পরিষ্কার ভাত হয় । মোট চাল গামলায় ফেলিয়া সাৰু আটবার জল বদলাইয়। রগড়াইয়া ধুইলে পরিষ্কার ভাত হয় । সরু অতিপচাল জলে অনেকক্ষণ ভিজাইয়া প্লাখিলে গুড়া হইয়া যায়। সেই জন্য হাড়িতে জল চড়াইয়া দিবে, জল গরম হইতে থাকিবে, আর এদিকে চাল ধুইবে ; তার পরে জল ফুটিতে থাকিলেই চাল ছাড়িয়া দিবে। এ চাল এক হাতে কচুলাইয়া ধুইলে গুড় হইয়া যায় ; সেই জন্য আস্তে আস্তে দু হাতে রগড়াইয়া ধুইয়া ফেলিবে । ছ একবার ধুইলেই যথেষ্ট হইবে । দাখানি, বাক তুলসী, গোপালভোগ প্রভৃতি সিদ্ধ চাল বেশ রগড়াইয়া ধুইবে। এই সিদ্ধ চাল ভাঙ্গিবার ভর নাই । ভাতে বাড়া ।—চাল অনেকক্ষণ ধরিয়া ভিজাইয়া রাখিয়া তারপরে রাধিলে ভাতে বাড়ে না। যেখানে একসের চালে তিন জন 登