পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


s२ আমিষ ও নিরামিষ আহার । ২ । মোটাচালের ভাত । উপকরণ –মোট চাল একসের, জল সাড়ে চার সের। প্রণালী -একটি পাচসেরী কি ছয়সেরী (যাহাতে পাচসের কি ছয়সের জলধরে) তোলে হাড়িতে সাড়ে চারসের জল চড়াইয়া দাও। চালগুলি কুলায় করিয়া ঝাড়িয়া ধানকুঁড়া ইত্যাদি বাছিয়া ফেল এব৯ গামলাতে চাল ঢালিয়া সাত আটবার জল বদলাইয়া খুব রগড়াইয়া ধোও । জল চড়াইবার প্রায় মিনিট পনর পরে অর্থাৎ জল গরম হইলে পর চালগুলি জলে ছাড়িয়া দাও । দশ মিনিট পরে জল উথলিয়া উঠিলে যে ফেনাগুলা উপরে দেখিতে পাইবে তাহ হাত। দিয়া ফেলিয়া দিতে হইবে। এইটা না ফেলিয়া দিলে, ভাত পরিষ্কার হয় না। এইবারে হাড়ির সরা খুলিয়া দাও এবং খুব জলন্ত আঁচ করির দাও। ভাত খুব টগ্‌বগ্‌ করিয়া ফুটিতে থাকুক। পাচ, ছয় মিনিট অস্তর এক একবার হাতা দিয়া ভাত নাড়িয়া দাও এবং হাতায় ভাত লইয়া দুই অঙ্গুলিতে টিপিয়া দেখ, ভাত কতদূর সিদ্ধ হইল। হাড়িতে চাল দিবার প্রায় আধ ঘণ্টা পরে, ভাত ঠিক হইয়া যাইবে ; তখন ভাতে তিনপোয় আন্দাজ কঁচু। জল ঢালিয়া দাও, এবং লেতাদিয়া হাড়ির গায়ের ফেন মুছিয়া ফেল। এইবারে হাড়ির উপরে সর ঢাকা দাও। দুই দিকে দুইটা লেত দিয়া সর ও হাড়ি একত্রে ধরিয়া উমানের ধীরে সরাইয়। আল। নীচে একটি গামলা রাখিয়া হঁাড়ি কাৎ করিয়া সেই গামলায় উপরে ফেন ঝরাও (ফেন অন্য প্রকারেও ঝয়ান যাইতে পারে প্রয়োজনীয় কথার “ফেন গালান’ অংশ দেথ) ; তার পরে হঁাড়ি ঝুঁকিড়াইয়া বিড়ার উপরে বসাইয়া রাখ।