পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8s আমিষ ও নিরামিষ আহার। প্রণালী । —ছাড়ি করিয়া জল চড়াইয়া দাও ; জল ফুটিতে আরম্ভ হইলে তাঁহাতে চাল এবং মুন (সৈন্ধব মুন হইলেই ভাল) দিতে হইবে। দশ মিনিট ভাত খুব টগ্‌বগ্‌ করিয়া ফুটিলে পর, উনানের আঁচ কমাইয়া দিবে । মন্দা (নরম) অঁাচে ধীরে ধীরে ফুটিয়া সমস্ত জল একেবারে মরিয়া গেলে ভাত ঢালিয়া ফেলিবে । গরম ভাতে এক ডেলা মাখন দিয়া গরম গরম থাইতে দিবে। যে চাল চারি পাচ গুণ জলে সিদ্ধ করা যায় এবং যাহার ফেন গালিয়া ফেলা হয়, তাহাতে যদি চাল ফুটিবার সময় একটু মুন ফেলিয়া দেওয়া যায় তাহা হইলে সে ভাতও থাইতে একটু একটু নোস্তা লাগে । গুণাগুণ –পূৰ্ব্বে প্রয়োজনীয় কথায় “ভাতের গুণাগুণ" অংশে বলিয়া আসিয়াছি যে যে ভাতে কাচা জল দেওয়া না হয় এবং যে ভাতের ফেন গালিয়া ফেলা না হয়, তাহা আয়ুৰ্ব্বেদ মতে পুষ্টিকর এবং গুরুপাক । এই যুক্তিতে নোনা ভাতকেও গুরুপাক বলা যাইতে পারে ; কিন্তু সৈন্ধব স্থন দিয়া যদি ইহা পাক করা যায়, তাহা হইলে উদরে গিয়া ইহা শীঘ্র জীর্ণ হওয়া সম্ভব। কারণ সৈন্ধব মুন অগ্নিবৃদ্ধিকর এবং শরীরের উপকারী। সকল রক্ষঃসই সৈন্ধব মুন ব্যবহার করাই ভাল । ৫ । পোড়ের ভাত । উপকরণ --পুরাণ দাদখানি চাল আধপোয়া, জল আড়াই সের, ঘুটে চল্লিশখান । প্রণালী -প্রার পনর ষোল অঙ্গুলি উচু করিয়া এবং চারিদিকে গোল করিয়া ঘুটে পাত। মধ্যস্থলে খানিকটা গোল ফাক প্লাথিতে হইবে তাহার ব্যাস প্রায় পাচ ইঞ্চি হইবে।