পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায় । 82 আড়াই পোয় জল ধরে এই রকম একটি মাটীয় নূতন ভাড় আন। চালগুলি ভাল করিয়া ধুইয়া ফেল। ভীড়ে অধিসের জল দিয়া ঘুটের উপরে বসাইয়া দাও ; এইবারে ঘুটেতে আগু৭ ধরাও । জলে চাল ছাড়িয়া দাও। ভাতের আর ফেন গালিতে হইবে না। টুপ্‌ টুপ্‌ করিয়া ফুটিয়া ক্রমশঃ সমস্ত জলটা এই চালেতেই শুকাইয়া যাইবে এবং ভাতও খুব গল হইবে। গুণাগুণ।-ইহা দুৰ্ব্বল শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। ইহা ধারক, অত্যন্ত লঘুপাক এবং পুষ্টিকর। উদরাময় রোগীদের পক্ষে গাদালপাতার ঝোল প্রভৃতি দিয়া পোড়ের ভাত খাওয়া প্রশস্ত।-ঘুটের জালও শরীরের উপকারী। や l 5将さtや I অল্প গরম ভাত লইয়া তাহাতে মাঝারি চামচের দু এক চামচ । মাখম মারা ঘি মাখ, চিম্‌টা দুই মুন দাও, দু তিন কাই নুতন তেঁতুল মাখ, একটি কাচা লঙ্ক একটু ঘসিয়া গন্ধ করিয়া লও। এইরূপে মাখিয়া থাইলে মুখেয় বেশ রুচি হয়। অীর এক রকমে ভাত মাখিলেও বেশ খাইতে লাগে । ভাতে ধি মাখ, কলম্বা নেবু কাটিয়া নেবুর খোসাতে একটু মুন লাগাইয়া ধি মাথাভাতের মধ্যখানে ঘসিয়া লও, তারপরে চারিদিকের ভাত ইহার সঙ্গে মাখিয়া লও। কলম্বা নেবু ঘসিয়া খাইতে হইলে পাথরে ঘসিলে উহা ভাল করিয়া ঘসা যায়। যত ঘসা যায় কলম্বানেবুর তত সুবাস বাহির হয়। ৭ । পাস্তু ভাত । প্রণালী --সকালে ভাত রাধিয়া ঠাণ্ডা করিতে হইবে। জলে গরম ভাত দিলে পান্ত ভার খারাপ হইয়ু যায়। "গাঢ়া" (গাঢ়)