পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8& আমিষ ও নিরামিষ আহার । অর্থাৎ গভীর পাত্ৰে ভাতগুলি রাখিতে হইবে এরং সেই ভাতের উপরে প্রায় একগির উচু করিয়া জল দিতে হইবে। সচরাচর এই ভিজান ভাতকেই পান্তভাত বলে। ভাত অস্ততঃ একদিন জলে ভিজিলে তবে অল্প টকূটক হয় ;–এই জলই আমানি । পান্ত ভাত অার একটু বেশী টক করিতে চাহিলে ইহাতে একটা নেবু রস করিয়া দাও অথবা এক ছড়া তেঁতুল ফেলিয়া রােখ। জলে নেবুর পাতাও ফেলিয়া রাখিয়া দিতে পার, তাহা হইলে বেশ সৌগন্ধ বাহির হয় । পান্তভাত ছ তিন দিন বেশ থাকে । পান্তভাতের সঙ্গে উচ্ছের চড়চড়ি, ঝাল চড়চড়ি, বেগুন পোড়া, মাছ পোড়া, পটল পোড়া, অম্বল প্রভূতি দিয়া থাইতে ভাল লাগে । মাঘ মাসে পান্ত ভাতের সঙ্গে কড়াই সিদ্ধ, কুলের অম্বল প্রভৃতি দিয়া অনেকে খাইয়া থাকে। গুণাগুণ —গ্রীষ্ম প্রধান দেশে গরমের সময় পান্তভাত খাইলে শরীর ঠাণ্ড হয় বলিয়া মনে হয় কিন্তু পান্তভাত আয়ুৰ্ব্বেদ মতে শরীরের অপকারী । ইহা ত্রিদোযের (বাত পিত্ত শ্লেষ্মার) প্রকোপ কর এবং রুক্ষ । “ত্রিদোষ কোপনং রুক্ষং বার্য্যন্নং নিশিসংস্থিতং” —(রাজত্ব : ) ৮। পান্ত ভাত ( দ্বিতীয় প্রকার । ) প্রণালী।-দুই সের কি তিন সের জল ধরে, এমন একটি নুতন হুঁড়ি আনিয়া বেশ পরিষ্কার করিয়া ধোও । এক হাড়ি জল দাও আর প্রায় আধ কুনিক (আড়াইছটাক) চালের ভাত ইঙ্গতে দাও । হাড়ির মুখে একখানি কাপড় দিয়া বাধিয়া রাখ। তিন চারি