পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায় t - 8% দিন এই হাড়ি হইতে আর আমনি তুলিবে না, কেবল প্রতিদিন সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্য্যন্ত রৌদ্রে দিতে হইবে । সকালে ভাত রাধা হইলে ভাত ঠাণ্ড করিয়া মুঠাখানেক করিয় ভাত ঐ জলীয় ভাতের উপরেই প্রত্যহ দিবে। দিন চারি পরে দেখিবে, এই আমনি কেমন পরিষ্কার তক্তকৃ করিতে থাকিবে। ইহার আমানি খাইয়া থাকে, ভাত খায় না। এই আমানি তুলিয়া লইয়া টাটুকী ভাতের সহিত মাখিয়া থাইতেও পার । ৯ । সাতলান আমানি । ভাতে জল দিয়া, কলম্বানেবুর পাতা এবং একটু নুন দিয়া রাখিবে ; পর দিন আমানিতে তাহার ভাতগুলী কচলাইয়। গুলিয়া লইবে এবং সিট ফেলিয়া দিবে। এইবারে একটা লোহার হাতাতে অতি সামান্য ঘি দিয়া আগুণের উপরে ধর ; দ্বিয়ের ধোয় বাহির হইলে সরিষা আর জিরা ফোড়ন দিবে, চুরচুর করিয়া উঠিলে হাতাটা আমানির ভিতরে ডুবাইয়া দিবে, তাহা হইলেই সাতলান হইয়া যাইবে। এইরূপ সঁহিলানকে “হাত পোড়া সাতলান” বলে। ১০ । ভাতের মণ্ড । উপকরণ।-চাল এক ছটাক, জল চৌদ্দছটাক । প্রণালী।–একটা দেড়সের নুতন হাড়িতে চৌদছটাক জল চড়াইয়া দাও ; চালগুলি ধুইয়া বাছিয়া তাহাতে ছাড়িয়া দাও । যত চাল দিবে তাহার চৌদ্দগুণ জল দিতে হইবে। আধ ঘণ্টা পরে দেখিবে যে ভাত খুব গলিয়া গিয়াছে তখন হাড়ির মুখে সরা চাপাদিয়া হাড়িট উপুড় করিয়া দাও, যে টুকু ফেন থাকিবে সব ঝরিয়া যাইবে ।