পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমিষ ও নিরামিষ আহর । ءه দাও । জল উথলিয়া উঠিলে সরা খুলিয়া রাখিবে । কুড়ি কি পঁচিশ মিনিট পরে দেখিবে চাল বেশ সিদ্ধ হইয়া ভাত হইয়। গিয়াছে, তখন ডাল ঘুটুনি ঘুরাইয়া ঘুরাইয়া ভাত খুব ঘুটিয়৷ দাও । তার পরেও হাড়ি নামাইয়া কাঠের হাত দিয়া ভাতগুলা ভাঙ্গিয়া দাও, যাহাতে ভাতে ফেনে অনেকটা মিশিয়া যায় । তার পরে পুনরায় হাড়ি চড়াইয়া দু এক বার ফুটিলে পর নামষ্টিবার ঠিক আগে এক কাচ্চা খুব ভাল গাওয়া অথবা মাখম মারা ঘি ছড়াইয়া দিয়া ভাতটা হাত দিয়া নাড়িয়া মিনিট দুই পরে নামাইবে এবং গরম গরম খাইতে দিবে। ১৩। মালাইফেনসা ভাত । উপকরণ –আতপচাল এক পোয়ী, জল একসের, নুন দেড় চ} চামচ (পোন কঁাচ্চ), নারিকেল একটি, পেয়াজ একটা, কাচা লঙ্ক! দুইট, অদি। একগির । প্রণালী –একসের জল গরম করিতে চড়াইয়া দাও। নারিকেলটা দুই আধখানা করিয়া ভাঙ্গিয়া ইহার জল স্বতন্ত্র পাত্রে রাখিয়া নারিকেল কুরিয়া ফেল । একটি নুতন টুকরা কাপড়ে এই কোরা নারিকেল রাখিয়া নিংড়াইয়া যতটা দুধ বাহির কুরিতে পার কর । তারপরে ঐ একসের গরম জলে নারিকেল কোরার বাকি ছিবড়াগুলা গুলিয়া আবার কাপড়ে নিভু।াইয় অবশিষ্ট দুধটা বাহির কর । নারিকেলের র্থাটি দুধ আর ছিবড়া ছাক জলীয় স্কুধ (একসের টাক্) আলাদা আলাদা পাত্রে রাখ। পেঁয়াজটা কুচি কর, আদ। চাকা করিয়া কাট, দুইটা কাচা লঙ্ক চিরিয়া রাখ । একটি হাড়িতে চাল, নারিকেলের ছিবড়া ছাক জলীয় দুধ