পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায়। යුද් রসে পাক করিয়া লইয়। তৎপরে উহা পোলাওয়ের সঙ্গে মিশাইতে ङ्य़ । - বাদাম, পেস্তা, এবং কিসমিস ইহারা প্রায় সকল পোলাওয়েই ব্যবহৃত হয়। ইহার খাদ্যের "সোহাগ” উৎপাদন করে। বাদাম ও পেস্তাগুলি অল্প গরম জলে ভিজিতে দিলে শীঘ্ৰ থোসা ছাড়ান যায়। পোলাওয়ে বাদাম ও পেস্তা খোসা না ছাড়াইয়া ব্যবহার করা যায় না। কিসমিসগুলি বোট ছাড়াইয়া জলে ধুইয়া লইলেই চলে। বাদাম কি পেস্ত ঠাণ্ডা জলে ভিজিতে দিলে ভিজিতে একটু দেরী লাগে। ঠাণ্ড জলে ভিজাইয়া রৌদ্রে রাখিয়া দিলেও ইহার শীঘ্র ভিজিয়া উঠে। সৌগন্ধের জন্য সচরাচর জাফরাণ এবং গোলাপজল দিয়া থাকে। জাফরাণের রংএ পোলাও দেখিতেও অতি মনোমুগ্ধকর হয়। জাফরাণ একটু দুধে অথবা গোলাপ জলে অন্ততঃ মিনিট পমর ভিজাইয়া তারপরে উহাতেই গুলিয়া লইতে হইবে। পূৰ্ব্বে রাজরাজড়াদিগের খাদ্যে কন্তুরীও গন্ধের জন্য ব্যবহৃত হইত। কিন্তু এক্ষণে ইহার তত প্রচলন নাই। দুই এক রতি কস্তুরী একটু জলে বা গেলাপজলে ঘসিয়া পোলাওয়ে উহার ছিটা দিলেই বেশ সুগন্ধ হইবে । অনেক পোলা ওয়ে গরম মশলাগুলি তিন ভাগে বিভক্ত করিয়া লওয়া হয়। আঁথনিয় মশলা, ফাকি মশলা, আর চাল মাথা মশলা । আলাদা আলাদা করিয়। এগুলি গুছাইয়া ব্ৰাখিলে পাচকের সুবিধা হয়। যে সকল মশলা আঁখিনিতে লাগে সেই সকলই আঁখিনির মশলা । যে সকল মশলা মিহি করিয়া ও ড়াইয় তাহ। আবার পাতলা কাপড়ে করিয়া ছাকিয়া লওয়া যায় তাহাঁই কুঁকি