পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


{ আমিষ ও নিরামিষ আহার । ভিতরে ডুবাইয়া দেখি চালে জলে আট অঙ্গুলি হইয়াছে কি না, কিন্তু সাধারণতঃ পোলাও রাধিবার তাখনির হিসাব এই যে চালের উপর জল এক গিরা উচু থাকিবে । কিন্তু যে সকল পোলাওয়ের ভাতের দ্যায় ফেন গালিতে হইবে সে সকল পোলাওয়ে অবশ্য বেশী জল লাগিবে, অনেকটা ভাতের হিসাবেই অাখনি বা জল লাগিবে । হঁাড়ি ।—পোলাও রাধিবার হাড়ি তিন প্রকার । মাটার হাড়ি, তামার ডেকৃচি এবং কলাই করা লোহ প্রভৃতি ধাতু নিৰ্ম্মিত সম্পানি (বিলাতি হাড়ি)। পাথরের কলাইকরা লৌহ সসপ্যানই অধিক দিন স্থায়ী হয়। মাটির হাড়ি অপেক্ষা ডেক্‌চি এবং সস্প্যানই পোলাও রাধিবার পক্ষে সুবিধাজনক । ভাস্ত্ৰ পাত্রের কলাই উঠিয়া যায় বলিয়া পনর, ষোল দিন অন্তর উহ্য ঝালাইয়া লইতে হর । পোলাওয়ের হাড়ির মুখ প্রশস্ত হওয়া আবগুক, যাহাতে ভিতরে চারিদিক ভালরূপে দেখা যাইতে পারে । পোলা ওয়ের মাটীর হাড়ি ভাতের হাড়ি অপেক্ষা পুরু হয়, বিশেষতঃ হাড়ির গলার কাণী (ধার) অপেক্ষাকৃত অধিক মোটা হয় । এই হাড়ির গায়ে ফুট ফুট দাগ দেওয়া থাকে। যজ্ঞিতে এক এক হাড়িতে এ ৫ বারে দশসের, বারসের করিয়া পোলাও রাধ হইয় থাকে। পোলাও একেবারে বেশী করিয়া রাধtহ ভাল এবং ত্যহাতে সুবিধাও আছে। কারণ অধিকাংশ সময়ে পোলাও ভাতের ন্তায় চালের অপেক্ষা চার পাচ গুণ বেশী জল দিয়া রাধা যায় না । কাজেই ভাতের স্তায় ইহার ফেনও অধিকাংশ সময়ে গালিতে হয় না । পোলাও রাধিবার সময় হাড়ির মুথ প্রায় বরাবরই যেন সরা দিয়া বন্ধ রাখা হয় । -