পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ন্ধিতীয় অধ্যtয় । 患确 আঁচ । —পোলাও রাধিবার কালে মদ বা মরম আঁচে ঢাকা সমেত হাড়ি বসাইয়া দিতে হয় তাহারই নাম হাড়ি দমে বসান । নরম অীচের জন্ত কাঠ কয়লাই উত্তম । কাঠের কয়লার অভাবে নিবন্ত পাথরে কয়লার অ (চে রাখিলেও হইতে পারে। স্থাই চাপ দিয়া পাথরে কয়লার অ্যাচ নিবন্ত করিতে হয়। কাঠের জালে রাধিবার কালে কাঠ উসকাইয়া জ্বলন্ত আঁচ করিয়া দিতে হয় ; এবং নরম আঁচের সময় সেই কাঠের কয়লার আগুণেই হইয়া যায় । অনুভোজন। —অনুপানের গুণে যেমন ঔষধের গুণ হয়,সৈন্তের ও৭েযেমন সেনাপতির খাতিবৰ্দ্ধিত হয়,সেইরূপ আনুষঙ্গিক খাদ্যের ওণে প্রধান খাদ্য সমধিক রুচিকর হইয়া উঠে । এই কারণেই ভাতের সঙ্গে তরকারি প্রভৃতি চাই । এই আনুষঙ্গিক খাদ্যকে অনুভোজন বলা গেল। পোলা ওয়ের অসুভোজন বিধি নিমে বলিতেছি । সচরাচর নো স্তু পোলা ও,কোপ্ত, কোম্মা, কালিয়া, দোপেয়াজ, করি এই সকল দিয়া খাওয়া বিধি । এবং মিষ্ট পোলাও মিঠাখাট্টা” বা টক মিষ্টি চাটনী, ফলের ‘ইষ্ট বা ঝোল মোরববী (Stew), শুক্ল কোপ্ত এবং ফিণি (এক প্রকার পরমান্ন) প্রভৃতি দিয়া ও খাইতে ভাল। মিষ্টি পোলাও মিষ্ট্রান্নের সময় অর্থাৎ আহারশেষে খাওয়া উচিত । আহার মধুরে সমাপন করাই ভাল। পোলাওয়ের গুণাগুণ —পোলাও বহু প্রাচীন কাল হইতে ভারতে প্রচলিত আছে। ইহার গুণাগুণ সম্বন্ধে সাধারণ ভাবে মহর্ষি চরক আয়ুৰ্ব্বেদে যাহা বলিয়াছেন নিম্নে তাহাই উদ্ধত করা গেল। “মাংসশীক বস;তৈলঘুতমজফলেীদনঃ। বল্যাঃ সন্তৰ্পণ হৃদ্য গুরবেরিংহয়ন্তি চ ” (চরক) ty