পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৬৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায়। 电* তারপরে ঐ রসের পাত্রটা ধুইয়া একটা লেতা দিয়া মুছিয়া লইয়া উহাতেই এক ছটাক ঘি চড়াইয়া দাও। ঘিয়ে গরমমশলাগুলি (ছোট এলাচ দুইট, লঙ্গ চারিটা, দারচিনি টু গির) ছাড়িয়া দাও । যখন দেখিবে থিয়েতে যতই খুস্তি দিভেচ্ছ, কি কড়াটা ধরিয়া নাড়িতেছে, তবু কিছুতেই ধি আর চড়-বড় করিতেছে না, তখন বুঝিবে ঘিয়ে দাগ দেওয়া হইয়াছে । তখন আরো দেখিবে যে খি হইতে খুব ধোয়া উঠিতেছে, এই সময়েই ঘি নামাইয়। ফেলিতে হুইবে । ধি আগুনে চড়াইবার পর চার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ঘি দাগ দেওয়া হইয়া যায় । এই বারে একটি পোলা ওল্পের গুঁড়ি (মটির হাড়ি কিম্বী ডেক্‌চি কিম্বা বিলাতি সুস্পানি) আন । হাড়ির ভিতরে প্রথমে এক চামচ দাগি ঘি আর এক চামচ রস ছড়াইয়া দাও । ইহার পর এক মুঠ ভাত ইয়া হাড়ির মধ্যে চারিদিকে গোল করিয়া ছড়াইয়া দাও। কতকগুলি কিসমিস ও বাদাম কুচি ভাতের উপরে ছড়াইয়া দিয়া উহার উপরে চামচে করিয়া একটু দাগি ঘি ও একটু রস ছড়াইয়া দাও,ধি ও রস দিবার পর আবার ভাত ছড়াইয়া দীও । আবার কিসমিস, বাদাম, ঘি এবং রসূ দাও । যতবার এইরূপে ভাত দিবে ততবার উহার উপরে কিসমিস, বাদাম, ঘি এবং রস দিবে। শেধকালে সব ভাতটা হাড়ির মধ্যে দেওয়া হইয় গেলেও কিসমিস বাদাম প্রভৃতি যাহা অবশিষ্ট থাকিবে দে সব গু ভাতের উপরে ছড়াইয়া দিবে। এইরূপে হাড়ির মধ্যে ভাত সাজান হইয় গেলে নরম অীচে কাঠ কয়লার কিম্বা নিবস্তু পাথরে কয়লার) {ড়ি ঢাকা সমেত মে বসাইয়া দিতে হইবে । ভাত রসে এবং থিয়ে মজিয়া উঠিবে।