পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায় । §vi) চিনি এক র্কাচ, নুন এক কঁচ্চি, জর্গ গুজিয়াগুলি ও আন্দাজ এক মাঝারি চামচ ফাকি মশলা (সমস্ত ফাকি মশলাটা দিলে তিতা হওয়া সম্ভব) ईशय्ड দাও । এক ছটাক ঘি ঢালিয়া দাও । দুধে ভিজাল জাফরান গুলিয়৷ ইহাতে দাও । ভাজা ক্ষীর হাতে করিয়া গুড়াইয়া দাও । এখন চাল গুলি এই সব মশলার সহিত মিশাইয়া ল ও ! একটি ডেক্‌চি বা পোলাওয়ের মাটীর হাড়ি আন । হাড়ির ভিতরে তলাতে এমনি করিয়া তেজপাত সাজাইতে হইবে যে তলাতে ভাত যেন পুড়িরা না যায়। খুব ঘেঁসাঘেঁসি করিয়া প্রথমে এক স্তর তেজপাত পীত, তবু একটু একটু ফাক থাকে, সেই জন্য এই তেজপাতার উপরে আর এক স্তর তেজপাতা পাতিতে হইবে । দ্বিতীয় স্তরের তেজপাতা গুলি ঘেঁসাৰ্ঘেসি করিয়া না দিয়া দীকগুলির উপর উপর দিলেই হইবে । এইবারে এই তেজপাতার উপরে আলগোচে অৰ্দ্ধেক চাল ঢাল । চালের উপরে "আধশোয়! ঘি ছড়াইয়া দাও । এখম আবার এই চালের উপরে থানকতক তেজপাত, সাজা ও, এবং বাকী চালগুলা এই তেজপাতার উপরে আস্তে আস্তে ছড়াইয়া দাও । এই চালের উপরে আবার বাকী ঘিট ছড়াইয়া দাও । এখন আঁথনির জল আস্তে আস্তে একটা বাট করিয়া তুলিয়া তুলিয়া চালের চারিদিকে ঢালিয়া দীও। চালের উপরে মাঝখান হইতে জল ঢালিয়া দিলে চাল, তেজপাত সব সরিয়া যাইবে, সেই জন্য চালের উপরে কথন হুড়হুড় করিয়া জল ঢালিবে না। জল ঢালার পর একটী অটি অঙ্গুলি পরিমাণ কাটি হাড়ির ভিতরে ডুবাইয়া দেখিবে যে চালে জ্বলে আট অঙ্গুলি হইয়াছে কি না। তার পরে হাড়ি জলন্ত আঁচের 3. o