পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/১৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


եՀ আমিষ ও নিরামিষ আহার । প্রণালী।–প্রথমে একটা নারিকেল কুরিয়া তাঁহাতে আড়াই পোয় গরম জল দিয়া লিংড়াইল্লা নিংড়াইয়া যতটা পার দুধ বাহির কর ; কাপড়ে করিয়া দুধটা ছকিয় লও। এই তাড়াই পোয়াটাক নারিকেলের জলীয় দুধে একটা তেজপাত (তেজপাতাটা ছু আধখানা ভাঙ্গিয়া দিবে), একগিরা ডালচিনি, একটা ছোট এলাচ, চারিট লঙ্গ, দুইট। দেশী পেঁয়াজ (খণ্ড খণ্ড কাটিয়া দিবে), পাচ ছয় রতি জাফরান (যদি ভাত সাদ। রাখিতে চাও তাহা হইলে ইহা দিবে না) এই সকল মশলা দিয়া আগুনে চড়াও । বার চোঁদ মিনিট ধরিয়া ইহা ফুটিলে নামাইবে কারণ পেয়াজগুলি একটু গলা আবশ্যক। ইহাই মালাই পোলাওয়ের আঁখিনি । এইবারে প্রথমে দেড় ছটাক ছান টোপাকুলের আকারে বড়ি বড়ি করিয়া রাখ। ছানাগুলাতে এক কাচা কি দেড় কাচ্চ ময়দা মাখিয়া রাখ। মালাই সর দু আঙ্গুল চওড়া এবং তিন আঙ্গুল লম্বা করিয়া কাটিয়া কাটিয়া রাখ। আধখানা নারিকেলের কতকাংশ চিড়ের ন্যায় মিহি করিয়া কুঁচাইয়৷ রাখ। কুঁচা নারিকেলগুলি ওজনে আধছটাক হওয়া চাই। এইবারে পোলাওয়ের হাড়িতে দেড় ছটাক ঘি দিয়া গুনে চড়াও ! ঘি গলিয়া গেলে উহাতে এক ছটাক পেয়াজ কুচ৷ দাও ; ঘন ঘন নাড়িতে থাক। সাত আট মিনিট পরে হাড়ি নামাইয়া পোজগুলি একটা পাত্রে উঠাইয়। রাথ। পাত্রে উঠাইয়া পেঁয়াজগুলি একটু নাড়িয়া চড়িয়া দিবে তাহা হইলে বেশ ঝরঝরে হইয়া উঠিবে। পেঁয়াজ ভাজা ঘিরেই ময়দামাথা ছানাগুলা ছাড়িয়া দাও, দু এক মিনিট নাড়িয়া চাড়িয়া বাদামী রং হইলেই ভাজা ছানাগুলি উঠাইয়া রাখ। ছানা ভাজা হইসে