পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/২০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায় । ఫిఫి তেলে একটি শুক্ল লঙ্কা আধখানা করিয়া ভাঙ্গিয়া দাও। লঙ্কাটী ভাজা হইলে ফোড়নগুলি ছাড় ; ফোঁড়ন ফুটফাট করিলেই আধপোয় জল ঢলিয়া দাও ; জলের ধোয় বাহির হইলে ভাত ঢালিয়া দাও। এই সমরে ক্ষায়ণি ও মুন দাও। জল মিনিট পাচ ফুটিলে নামাইয়া গরম গরম খাইতে দিবে। গুণাগুণ – ইহা ভাতের প্রথমেই থাইতে হয়। ইহা বড় হজমী। পেট কামড়াইলে এই ভাত খাইলে বেশ উপকার হয়, কিন্তু অধিক খাওয়া ভাল ল । ৩২। থ্যাকার ভাত। থাকার –আসাম প্রদেশে থ্যাকার। যলিয়া যে এক প্রকার ফল জন্মে তাহা দুই জাতীয় হয়। এক জাতীয় থাকারার নাম “বড় থাকারা” এবং অপর জাতীয় থাকারায় নাম "কুঁজি থাকারা”। ইহা অৰ্দ্ধ গোলাকৃতি কুঁজের ন্যায় অনেকটা দেখিতে হয় বলিয়া ইহার নাম কুঁজি থাকার হইয়াছে। কুঁজি থ্যাকারাই আসামে আমাশয় রোগের জন্য অতি উত্তম ঔষধ বলিয়া খ্যাত। ইহার ভিতরে গাব ফল বা মেনগোষ্টিনের ন্যায় যে শাস থাকে, সেই শাস লোকে খায় ; আর উপরের খোসা আমচুরের ধরণে কাটিয়া কাটিয়া শুকাইতে দেয়। আশ্চৰ্য্য ! ইহার শাস মিষ্ট হয়, আর উপরের খোসা অতি মাত্রায় টক । এই খোস শুকাইলে পর, কলসীতে পুরিয়া মুখবন্ধ করিয়া উঠাইয়া রাখিতে হয়। ভাল করিয়া রাখিতে পারিলে পনর কুড়ি বৎসর পর্য্যস্ত বেশ থাকে। আরো যত পুরাণ হয় তত ইহার গুণ বাড়ে। পুরাণ হইলে পুরাণ তেঁতুলের মত কাল হইয়া যায়।