পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/২১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায় । 2 o't প্রণালী।-নেবুর কোয়াগুলার পিছন দিকে ছুরির দ্বারা লম্বা লম্বি চির দিয়া কেবল শস্যাংশ বাহির করিয়া একটী পাত্রে রাখ, বিচি ফেলিয়া দাও । একটা ছাড়িতে নেবুর রস সমেত শাসগুলা চড়াও ; দু গির ডালচিনি, পাচ ছয়ট লঙ্গ ও দুটা ছোট এলাচ উহাতে ফেলিয়া দাও। হাড়ি ঢাকিয় রাখিবার আবশ্যক নাই। জলট অনেকটা মরিয়া ঘন থকথকে হইয়া আসিলেই (ছাড়ি চড়াইবার মিনিট পনের পরে), আধ ছটাক বাদাম, আধ ছটাক কিসমিস ও এক পোয় কুঁচা মোরব্বা ছাড় । নেবু চড়াইবার মিনিট কুড়ি পরে দেড় পোয়া চিনির রস চাল । চারি পাচ মিনিট পরে, হাড়ি নামাইয়া রাখ । দেড় ছটাক ধিয়ে দুটা তেজপাতা, দশটা লঙ্গ, চার পাচটা ছোট এলাচ ও দু তিন গিরা ডালচিনি ছাড়িয় আগুনে চড়াও ; বেশ দাগ দেওয়া হইয়া গেলে, এক র্কাচ্চ কি আধ ছটাক ঘি হাড়িতে রাখিয়া, অবশিষ্ট ঘিট একটা বাটিতে ঢালিয় রাখ । হাড়িতে জল ঢাল ; জল ফুটিলেই চাল ছাড় । ভাত হইয়া গেলে হাড়ি নামা ও । এখন একটা পাত্রে (থালায় বা প্লেটে) খানিকট (এক কঁাচ্চাটাক) দাগি খি ছড়াইয়া, তাহার উপরে ভাত রাখ। ভাতের উপর রস্পক্ক নেবু বেশ করিয়া ছড়াইয়া দাও । আবার ভাত চাপা দিয়া খি ছড়াও । এইরূপে ক্রমান্বয়ে করিতে হইবে যতক্ষণ অবধি ভাত ও নেবু থাকে এক পোয় চালে এক ছটাক দাগি ঘি খাওয়াইতে হুইবে ।